Posts

Showing posts from January, 2022

মিলন সেতু।

     মিলন-সেতু।                 আ, ফ, ম,  ইকবাল॥ প্রচণ্ড শীতের জ্যোৎস্নামাখা রাত হয়তো চারিদিকে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে জাগ্রত কেবল বৃক্ষরাজি    বনের মাঝে কারো ঘর আর ঘরের মাঝে বিবাগির বসবাস    জানিনা নিঝুম এই রাতে কে যেন আমায় নাম ধরে ডাকে !  যদি না সে থামে- হয়তো নেমে যেতে হবে পথে নিভৃত নিরজনে! বলা যে হয়নি এখনও অনেক গল্প   প্রগাঢ় সবুজ কৃষ্ণচূড়ার শাখে জমে থাকা কৈশোরের সেই উন্মাদনা-  যার বহু স্মৃতি মুছে গেছে লেগে আছে কিছু শৈবাল দিঘির  অনিকেত জল পল্লবে  ক্ষুদ্র জোনাকির জ্বলজ্বলে পুচ্ছ আলোকে সে গল্পের বুদবুদ ভাসমান স্ট্রিট লাইটের নিয়ন আলোকে । রাতগুলো বড় বিষণ্ন কখনও   কিছু সন্ধ্যা ভরে উঠে ঝরাপাতার বেদনায় দিগন্তে যখন ডুবে যায় চাঁদ  ঝিঁঝিঁ পোকার আরাধনায়  নতুন করে জন্ম নেয়  যুগপৎ কামনার উত্তরাধিকার কে জানে তখন কেউ যেন মিটিমিটি চেয়ে থাকে মায়াবী চোখে ! এমনই এক সন্ধ্যায় নিঃসঙ্গ আমি চলে...

জীবনালেখ্য।

জীবনালেখ্য।             আ, ফ, ম,  ইকবাল॥  শহরগুলো খেয়ে ফেলছে ক্ষেতের মাঠ   চিমনির ধোঁয়া গ্রাস করেছে বৃক্ষরাজি ! বাজার পৌঁছে গেছে বাড়ি বাড়ি যখন  মেলার জন্য কে তাকিয়ে থাকে আজ?  একাকীত্বের শব্দে বিভোর চারিদিক  শব্দ শৃঙ্খলে নেই আজ কথকের জাদু!  মুখ আর মুখোশের যত্রতত্র লুকোচুরি হারিয়ে গেছে বাল্যের সেই খেলাঘর !  কোথায় তোমার বসবাস- নিজেকে জিজ্ঞেস করি,  শেকলবদ্ধ জীবনে অনুপস্থিত শেকল ভাঙ্গার গান !                        ২৯-০১-২০২২। 

জীবনের বাঁকে বাঁকে।

জীবনের বাঁকে বাঁকে !                   আ, ফ, ম,  ইকবাল॥                    স্বপ্নগুলো ধরা দেয়না  কিন্তু ধার দিয়ে যায়  শত ভাবনা কত ভাব  জীবনে কতকিছুই পাওয়া হয়না    অথচ কত কিছুই চাই- গভীরভাবে    ঘুরেফিরে স্বপ্নেই পেতে চাই।    অবচেতন মনে অবশেষে তাই ধরা দেয়।  বালকবেলায় বারবার   খোয়াবনামা হাতে নিয়ে দেখেছি  যা কিছু স্বপ্ন দেখতাম-  তার মানে খুঁজতাম।   আলো-ছায়ার মতো   কখনও আলেয়ার মতো  খুঁজে বেড়াতাম !   ভীষন দুষ্টু ছিল স্বপ্নগুলো-   ঘোরের মধ্যে আটকে থাকা   চোখ খুলতেই হারিয়ে যাওয়া   নবদিগন্তে লুকোচুরি খেলা  তারই মধ্যে কত পরিতৃপ্তি ! বর্তমানের ভাজে ভাজে   ফেরি দেয় আজও কিছু স্বপ্ন   সেই সে প্রাইমারী স্কুলের মাঠ,   পুকুরে দঙ্গল বেঁধে সাঁতার কাটা   বৃষ্টির পানিতে কাগজের নৌকা ভাসিয়ে দেয়া,   চার আনার বা...

EQUALLY ?

Equality ?            AF  Ekbal. Equality-  A stocked term in  dictionary Meaningless on the surface of reality No one is alike People aren't equal in true sense. Look over and we see- Princes kings feudal lords   Still are there Existing with their Profound pride and vanity ! The name has been changed; Democracy  Has been replaced by monarchy. Government ? Ruler are ministers,  Leaders are superiors,  Bureaucrates Dhanbali Bahubali- Are broker, gambler,  All they are the courtiers. The rest  We the people are Destined to count The upper class's mercy Helpless to live Beneath their feet, Holding hands Pleading and fighting for rights  As if are beggar, beggars ! Their hands and feet Their fency and caprice Whenever they want Can crush the Dwellers of bottom line As if are insects Is it our destiny ?         ...

কেটে যাবে এই দিনটিও।

কেটে যাবে এই দিনটিও ..... ।             আ, ফ, ম, ইকবাল॥             এই দিনটিও কেটে যাবে হ্যাঁ, এই দিনটিও কেটে যাবে প্রাত্যহিকতায় রোজকার মত   কেটে যাবে আজকের দিনটিও জীবনের ধারাপাতে জুড়বে আরও একটি সংখ্যা ! ডালে বসে ডানা ঝাপটাচ্ছে  দুটি খেচর- কে জানে পরক্ষনে‌ কোথায় তারা উড়ে যাবে কোন দিগন্তের অমোঘ টানে বৃক্ষ শাখায় রইবে শুধু পদচিহ্ন। মলয় বহে ঝিরিঝিরি সর্বক্ষণ, কে জানে কখন রূপ নেবে তা প্রলয়ের উজাড় করে দেবে দিগ্বিদিক কত শাখা পড়বে ভেঙে এরপরও রইবে কিছু অবশেষ। তারপর রৌদ্রের কোলাহল ফুটন্ত দহন অগ্নিঝরা উত্তাপ আশ্রয় পাবে যারা ছায়াতলে তারাই বেঁচে যাবে দিনান্তে অনলে অন্য অস্তিত্বের সমুহ বিনাশ !                         ২৬-০১-২০২২ । 

সংবেদনার মৃত্যু।

সংবেদনার মৃত্যু !             আ, ফ, ম, ইকবাল॥ আঘাত হেনেছে   করোনার তৃতীয় ঢেউ  দিকে দিকে ছড়াচ্ছে হাহাকার;  তার আগে ফাঁসি দেয়া হয়ে গেছে    সকল সহানুভূতি, আবেগ অনুভূতির ! ছাড় ছিল কেবল পনেরো শতাংশের  সকল প্রকার জমাখুরি  মুনাফা কামানোর  যারা এটাই চেয়েছিল  বেসরকারীকরণের নামে   অঢেল খাদ্যসামগ্রী হড়প করতে । তাদের হাত ধরে  হেঁটেছে সংসদ,  কে জানে সংবিধান ও ! য পথে পদচারণা করেনা  সংবেদনশীলতা সহনশীলতা;  নিশ্চিত যে এটা সেই পৃথিবী নয়   যেখানে আমরা চোখ খুলেছিলাম !  এসো এবার প্রস্তুতি নিই  শেষকৃত্য করার  ফাতিহা পড়ার   নতুন করে শত শত লাশ আর যেন পড়ে না রয় !  প্রস্তুতি নিই  কবর দেয়ার পুড়িয়ে ফেলার  পরিত্যক্ত সেই লাশগুলো। তার আগে- যতক্ষণ  জমা পড়বে আমার নশ্বর দেহটা ওই লাশের স্তুপে !                          ২৫-০১-২০২২।

যাত্রাপথ।

যাত্রাপথ !          আ, ফ, ম,  ইকবাল॥           জানিনা-  জীবন কখন কোথায় এসে থমকে যাবে,  কে জানে কত আর মঞ্জিলের দূরত্ব   দেখেছি অনেক ঝড় তুফান  দেখেছি কত পূর্ণিমা অমাবস্যা  জানিনা-  পরীক্ষার তরে কত আর দেখা বাকি !  কিন্তু জানি  জীবনকে দিয়েছি অনেক ফাঁকি !  পরীক্ষা! পরীক্ষা! পরীক্ষা!  হারিয়েছি সহনশীলতা কতবার  পথহারা পথিক পথের নিতে সন্ধান  ভুলে গেছি বারবার ! তবু যে লভেছি করুণা মাওলার  প্রাণভরে ফেলছি আজও শান্তির নিঃশ্বাস !  ভালো আছি,   হুম আমি ভালো আছি   সত্যিই ভালো আছি  দাঁতভাঙ্গা কঠিন প্রশ্নপত্র খালি  অপলক দৃষ্টির ইনভিজিলেটর !  তবু ভালো আছি  প্রাণভরে ফেলছি আজও শান্তির নিঃশ্বাস !  রাব্বের কাছে তাওবাহ-  অগণন ভ্রান্তির চাই ক্ষমা;   মাখলুকে দিয়েছি আঘাত যত  মাফ চাই সবাকার কাছে,  জানিনা কত ঘড়ি আর অবশেষ আছে।  দেই যদি পাড়ি পৈত্রিক ঠিকানায়  দুআ' চাই ভ্রান্ত পথিক-  যেন পথ না হারা...

পানি-ধর্ম।

পানি-ধর্ম।             আ, ফ, ম,  ইকবাল॥  জগতের বিষ্ময়কর সৃষ্টি  সুবিশাল পানির সম্ভার,  না আছে জাতিধর্ম  না কোনো রঙরূপ তার !   পানির সঙ্গে সবার বিচরণ  পানির জন্য কার না হয় ওষ্ঠাগত প্রাণ ,   সবাই করি এসো পানির এই  সম-ধর্মের যথোচিত সম্মান।   পানির সঙ্গী নিত্য সবাই  পানি দিয়েই হই পূতপবিত্র,  পানি দিয়েই নামায পূজার্চনা  পানির কূয়া ঘাটে ফুটে ঐক্যের চিত্র।  চলো তাই এসো ভাই পানির মতো   মানব সেবায় হই সবে লীন,  বিভেদ বিরোধ ছেড়ে  কাটাই জীবনের অবশেষ দিন !  জলকে জীবন বলি মোরা  জল দিয়ে যত পুণ্য অর্জন,  জলের আদর্শে করি সবাই   সকল হিংসা বিদ্বেষ বর্জন।                      ২০-০১-২০২২। 

রক্তিম আমার কবিতার রঙ।

রক্তিম আমার কবিতার রঙ।                  আ, ফ, ম,  ইকবাল॥ আমার চাই সেই কবিতা  যার গায়ে থাকবে রক্তিম আভা  যার পরশে বাজবে   যমরাজের মহিষের ঘণ্টা  অভিঘাতী বিদ্বেষীর জন্য ! কবিতা হানবে  সন্ত্রাসীর মুখে সোজা আঘাত  ভেঙে ফেলবে অহংকারের ফানুস ! কবিতা মানুষকে বলে দেয়  জীবনে কেবল মৃত্যু নয় রয়েছে আশা হতাশার হাতছানি  কেবল সূর্যাস্ত নয়,   রয়েছে সূর্যোদয়ের আবাহন;  শুধু পারম্পরিক  আত্মসমর্পণ নয়-  রয়েছে সংগ্রামের আহ্বান! কবিকে বলছি তাই-  মানুষকে দেখান সেই স্বপ্ন   যা বাস্তবে পরিণত হতে পারে বলে যান স্বাধীনতার কথা   বলে যান সম্প্রীতির কথা  ধনী সাজায় কুঠুরি তার  অঢেল সম্পদরাজি দিয়ে   আপনি সাজান শৈল্পিক বোধ দিয়ে   প্রেম ভালোবাসা দিয়ে  মরমের অজস্র কুঠুরি ।                      ২০-০১-২০২২। 

কেটে যাবে এই দিনটিও।

কেটে যাবে এই দিনটিও !             আ, ফ, ম,  ইকবাল॥ হ্যাঁ, কেটে যাবে এই দিনটিও  প্রতিদিনের মতই প্রাত্যহিকতায়     কেটে যাবে আজকের দিনটি ও।  যে পাখি ডালে বসে  জানেনা বসে থাকবে কতক্ষন ধরে  এরপর কোথায় যাবে চলে-  তাই বা কে জানে। জানি আমি বেঁচে আছি    বাতাসে ভর করে    যখনই হাওয়া ফুরিয়ে যাবে  শেষ হয়ে যাবে উড়ান।  শ্রমজীবী মানুষ গরমে পুড়ে যায় না শরীরে তাদের রোদ ঝলসায়   লড়াই করে যায় নিত্য রোদের সাথে।  জানি আমি কারো ছায়া  ছায়া আন্দোলিত হয়  দেহের সাথে সাথে   ছায়ার হয় আকার পরিবর্তন  মানবের দেহে নয় সদা-   প্রকৃতিতে হয় হ্রাস-বর্ধন।                  ২০-০১-২০২২।

সন্তান ওদের, মোদের।

সন্তান: মোদের ওদের।           আ, ফ,ম, ইকবাল॥ খেলনা পুতুল-   চিরন্তন পছন্দ বাচ্চাদের  কাঠের খেলনা, মাটির খেলনা, বাঁশের খেলনা  প্লাস্টিকের খেলনা কত আরও সহজলভ্য খেলনা...। আমাদের ঘরের সন্তান,   তিন চাকার বাঁশের গাড়ি,  সুপুরি গাছের খোল, পুরানো ছেঁড়া কাপড়ের পুতুল,  জাম্বুরার বল, মার্বেল গুটি-  এসবই সম্বল।  চেনেনা তারা   ধনীর সন্তানের মত  বুলেটে ভরা অস্ত্র-খেলনা। চাহিদায় নেই তাদের ফাইটার প্লেন   নেই কোনো পরাক্রমী মারপ্যাঁচ !  দাবি ছিল একদা তাদের    মুখ খোলা পেঁপু বাঁশি  গুটি ভরা ঝনঝনি  যার মাঝে বিকশিত হতো  তাদের সকল রাগ অনুরাগ ! জানতো না শিশু কিশোর   ভুয়া ট্রেন চালানো  গাড়ি ছিল তাদের বাবার কাঁধ    কাড়াকাড়ি ছিল মায়ের কোল লয়ে   জগত ছিল সীমিত তাদের দাবি ছিল না সহিংস কিছু   দেখেনি সহিংসতা বাবার কাজেকর্মে  হয়ে উঠেনি সহিংস কেউ তাই।   অর্জিত হয়েছে যখন  অঢেল ধন-সম্পদ    নিপীড়িত অসহা...

এসো, সাগর তৈরি করি।

এসো, সাগর তৈরি করি।                আ, ফ, ম, ইকবাল॥  এসোনা, তৈরি করি একটা সাগর,  বুকের প্রবাল দিয়ে গড়বো তার পাড়  এমনিই, খেলায় খেলায় !  এসো হে, ভারী মজা হবে, নিজের গড়া সাগরে  খেলবো একে অপরের সাথে  ছুঁড়ে দেবো ঢেউয়ের পর ঢেউ! তরঙ্গের রঙ দিয়ে   ড্রইং করেছিলাম যে চিত্রপট,   বিগত বছরে শুকিয়ে গেছে  সেই ছবির নদীটি  ভরে দেবো ফের ভরপুর ! ভাবছো কোথায় পাবো এত পানি ?  চিন্তা করোনা, অনেক আছে সঞ্চিত  জমা করে রেখেছি বহুদিন ধরে  যত বঞ্চিতের চোখের অশ্রু,  ঠিক ভরে যাবে  আমাদের সেই কল্পসাগর !                      ১৮-০১-২০২২। 

কবিতা ভাবনা।

কবিতা ভাবনা।          আ, ফ, ম, ইকবাল॥          আমি চাই কবিতা যেন আটকে না যায়  কোনো লালসার চেয়ারে   কবিতা যেন লটকে না রয়  কোনো দাবার ডালে। চাই কবিতার যেন  কোথাও দোকান লেগে না যায় ফুল পাতার মালার মতো যা শুকিয়ে যায় সমাগত সন্ধ্যায়। আমি চাই কবিতা হোক মায়ের হাতের রুটির মতো তুলতুলে মোলায়েম। সিক্ত তরকারির মতো সুগন্ধিযুক্ত। কবিতা যেন অবাধে ঘুরে বেড়ায়  জন কলরবে বিজন রাস্তায় পঠিত হোক কবিতা গভীর রাতে সন্ধ্যা প্রাতে।  আমি চাই কবিতা হয়ে উঠুক জোনাকির তাবিজ তাদের আত্মসম্মানের চিহ্ন, কবিতা ভেঙে দিক   হাজার সূর্যের শাশ্বত অভিমান ! আমার মন চায়- কবিতা হেঁটে চলুক হাজার মাইল  গ্রামীণ পথ ধরে মুক্ত অবসরে যায় যাক পা তার ফেঁটে মালা পরার থাকবেনা তার অবকাশ ! হয় হোক পেরেক বিদ্ধ কবিতা  নিতে হয় নিক কাঁটার মুকুট পরে হোকনা ক্রুশবিদ্ধ তবু বলতে পারেনা উফ্- সে ই কবিতা !            ...

চারপদী।

বাস্তব নয় শুধু স্বপ্নও দেখো দিয়ে দুই চোখ,  আর দেখো ফুটন্ত কুসুম, তার সুবাসিত বুক; সবাই অজানা অচেনা- একথাই সত্য নয়,  জগতের ভিড়ে আপনও যে কেউ কেউ হয়।

কুড়িয়ে পাওয়া কলম।

      কুড়িয়ে পাওয়া কলম।                          আ, ফ, ম,  ইকবাল॥  শহরের পথে হাঁটতে হাঁটতে  সেদিন কুড়িয়ে পেয়েছিলাম একটি কলম,  তার দাঁত ভাঙা  মাথা চেপ্টা, বিবর্ণ !   চরম বিপর্যস্ত অবস্থায়! কুড়িয়ে তুলে নিলাম হাতে,  ওমনি সে জুড়ে দিল বিলাপ  সে কি ভীষন কান্না !  বিলাপ সেই মানুষটির জন্য  যে তাকে ব্যবহার করেছে  তার সকল আবেগ  সকল নিবেদন ব্যক্ত করার জন্য,  ব্যবহার করেছে তার সকল রক্তবিন্দু  ব্যবহার করেছে তার হৃদয়ের সকল অক্সিজেন   এবং তারপর-  তারপর তাকে অমনি ছুড়ে ফেলেছে  জনপথের উপর !   হিয়াভরা অভিযোগের জোয়ার-  যাকে সঙ্গ দিয়েছি রাতদিন  যাকে উজাড় করে দিয়েছি  আমার শেষ শোনিত বিন্দু  যার বুকে জড়িয়ে থাকা  সকল আবেগ  সকল উচ্ছাস  সবকিছু মুক্ত করতে ছিলাম দোসর-  সে ই কিনা অবশেষে....... ! কি ছিল আমার অপরাধ-   এমন করে পদতলে দিলো ছুড়ে ?   দু পা এগিয়ে...

মানুষ আছে, মানুষ থাকবে।

মানুষ আছে, মানুষ থাকবে।                     আ, ফ, ম,  ইকবাল॥ যতই আগুন লাগাও, মানুষ যে- জ্বলবে না,  যতই তুফান উঠাও- মানুষ কখনও নড়বে না।  দেখাও যতই রাঙা চোখ, মানুষ যে- ভয় কভু করবে না, যতই দাও চালাকি চাল, মানুষ যে- বিচলিত হবে না। যতই আসুক বাধা, মানুষ যে- পতন তার হবে না,  প্রতারণা? করো না শত শতাংশ, মানুষ যে- ঠকবে না। দেখাও ক্রিম বিরিয়ানি, মানুষ যে- প্রলুব্ধ কভু হবে না,  প্রতিরোধ? গড়ে তুলো অবিরাম, মানুষ যে- কখনো দমবে না।  ছড়াও হিংসা গোলাবারুদ, মানুষ কখনই হারবে না,  বাধাও দাঙ্গা যত খুশি, মানুষ মরে ময়দান খালি হবে না॥                                ১৬-০১-২০২২।   [বিদ্বেষের রাজনীতি করে যারা ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চায়, তাদের প্রতি ম্যাসেজ।]

জ্ঞান যখন সস্তা।

জ্ঞান যখন সস্তা !          আ, ফ, ম,  ইকবাল॥  মেঝেতে পড়ে হয়েছে ফ্র্যাকচার-  'ইশ, মেঝেতে যদি মার্বেল লাগিয়ে নিতে' ! যেদিন পড়ল সে- ছিল হাই প্রেশার ! সড়ক দুর্ঘটনার হয়েছো শিকার-  'ভুল দিকে ছিলে, নাহয় ছিল প্রবল গতিবেগ,  ওই যুবকটি ? নিশ্চিত নিয়েছিল .....প্যাগ!' যেদিন হল ওর, সামনে যে ছিল ট্র্যাক্টর।  জ্বর হয়েছে ? অথবা অসুস্থ অন্য,   'লুকোচ্ছো নিশ্চয় করোনা !  এটা খেয়ো না, ওটা ছুঁয়েও দেখো না!  আরটিপিসিআর ? নাই সমাধান আর!' নিজে যখন হয়েছে শিকার-  'করোনা টরোনা সব বেকার !' চুরি হয়েছে কিছু ?  অথবা প্রতারণার শিকার ?  'শিক্ষিত হলেই হয়না খালি,  হতে হয় হুঁশিয়ার !' ওরটা যখন গেছে খোয়া-  'ভরে গেছে দেশটা চোর চুট্টায় !'  জ্ঞানের নেই অভাব-   প্রয়োগ আবশ্যক যখন পরের তরে,  আপন নেত্রের কালি পড়েনা চোখে  যদি না সামনে কেউ মুকুর ধরে ॥                         ১৫-০১-২০২২। 

URBAN JOYS AND SORROWS.

URBAN JOYS AND SORROWS.                             A.F.  EKBAL.                    The joys and sorrows of the towns  Are like urban flats Are too small and tiny  Whose neighbors not known  To each other.  For knowing and meeting Have to go through   The watchman's register  And to have taken a pass.  Age of pleasures and sorrows too   Are too small in the towns;  Where posthumous deeds  Held simultaneously by a few near ones,     During the meeting near death bed  On the day of death.  Rest dwellers know the news  Through the newspapers following day.  Morning misery in towns    Turns happy in the afternoon,  And afternoon pleasure Again turn sorrow in turn  Amidst the happiness.  You find in towns-  Death in one street  Ceremoni...

ঠিকানার সন্ধানে।

ঠিকানার সন্ধানে।               আ, ফ, ম,  ইকবাল॥                তাকিয়ে থাকি  একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটির দিকে  হাওয়ার পকেট যেন শূন্য আজ  ঝনঝনানি ভেসে আসছে  দিগন্তের ওপার থেকে   চোখটা বাড়িয়ে দিতেই মনে হচ্ছে  আকাশের মনটা আজ হালকা একেবারে ! একাকিত্বে পথ চলতে চলতে   খুঁজে বেড়াচ্ছি সেই নদীর ঠিকানা  যা হারিয়ে গেছে লোকচক্ষুর অন্তরালে!  নদী হারিয়ে গেছে  হারিয়ে যায়নি তার পাথুরে স্মৃতি  শরীর নয়- এ যেন কঙ্কাল শুধু !  তন্নতন্ন করে খুঁজছি   সেই নদীর অস্তিত্ব  এখানে ওখানে যত্রতত্র ।  না, পাওয়া হয়নি আর তাকে হয়তো আর পবোও না  কোথাও তার সন্ধান।  হ্যাঁ হ্যাঁ, মনে পড়ল  যে যাবার সে তো গেছে আন্দামান    আন্দামানের গহীন জঙ্গলে,  যাবার পথে আড়াল থেকে দেখেছিলাম  অপরূপ ছন্দের দোলায় আগাছা সরিয়ে গুটিগুটি পাড়ি দেওয়া-  নির্বিকার অভিমানে!  পরগাছা জীবনের গল্প দিয়ে   আর যাই হোক কবিতা ...

কালের ডাক।

কালের ডাক।              আ, ফ, ম,  ইকবাল॥              জীবনটা জেদি ভীষন প্রতিদিন নেয় পরীক্ষা  যেখানে সুখের নিবাস আঘাত হানে ঠিক সেইখানে !  ভোরের সূর্যালোকে তৃপ্ত মনন হালকা উষ্ণতায় কর্মজীবি মানুষের মিছিল  রৌদ্রাতপে ফের মুখরিত প্রাণ ! এমনি করে  দুই গিরিখাতের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলে জীবন নদী সোনালী সকালের পোষাকে   সন্ধ্যায় ছড়িয়ে পড়ে সুরমার ছিটা ! আনন্দ বেদনার অলৌকিক চত্বরে মানবের বসবাস  অমৃত সন্ধানে নিজের অজান্তে ঝরে পড়ে দুই ফোঁটা লোনা চোখের জল ! সন্ধ্যারাতে চাঁদের ছায়ায় বসে নক্ষত্রের মিলন মেলা ক্রমশ স্তব্ধ হয় নীড়ের কিচিরমিচির ডেকে উঠে রাতের বউ কথা কও জানান দিয়ে যায় আগামীকালের নতুন প্রভাতের !                         ১২-০১-২০২২ ।  

এ কেমন অদ্ভুত বিবর্তন !

এ কেমন অদ্ভুত বিবর্তন !                আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                শুকিয়ে যাচ্ছে কাননের কুসুম লতা   সুগন্ধি অস্তিত্বহীন বিবর্ণতা থেকে কিছু ছবি  সংরক্ষণের প্রয়াস !চিরন্তন মূল্যবোধের জন্য   মূল্য দিতে হয় পরিমেয়  আবশ্যক মতো নিতে হবে  বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর দায়িত্ব ও ! সুচিন্তিত সিদ্ধান্তের পরাজয়ও  কখনো চোখে পড়ে না   কেবল কিছু গল্প তৈরি হয়-  চরিত্রের ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার  বিশ্বাসকে অবিশ্বাসে রূপান্তরিত করার।  মানব সৃষ্ট আদালত আছে থাকবে আপনার বিরুদ্ধে প্রমাণ দেবার  যেখানে সময় সাক্ষ্য দেয়  সত্যের বিরুদ্ধে, চৈতন্যের দীনতায় !  দুষ্কর্মকে আপনি ঘৃণা করেন ?   আপনাকে উপস্থিত হতে হবে কাঠগড়ায়  আপনার প্রবণতাকে অভিহিত করা হবে নিষ্ঠুরতা বলে  এর পর একটি সিদ্ধান্ত   যা আপনাকে তাড়িত করবে আজীবন !  জানিনা এ কেমন অদ্ভুত বিবর্তন !                  ...

ফেরার পথ ...........!

ফেরার পথ ...... !                   আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ জানিনা কোথায় হারিয়ে গেছে   বাল্যের সেই প্রিয় নদী রয়েছে যে আজও হৃদয়ে খোদাই করা   ভুলে গেছি সেই প্রান্তরের নাম  মতিন মাসুক ময়নাদের নিয়ে  কু-ঝিকঝিক খেলা করতাম !   বাল্যের যে পথে  হাফপ্যান্টটাও নিরাপদ ছিলনা  কাঁদায় পাঁকে  সেই পথে চলছে আজ দিনরাত  গাড়ি ঝাঁকে ঝাঁকে।  এক কেজি নুনের জন্য ছিল   মজিদের বাড়ি নইলে সুদূরের বাজার  সেই পথের ধারে আজ   রকমারি দোকান সারসার ! নেই সে মা-বাবার শাসন  ভাসে কেবল তাদের প্রিয় মুখচ্ছবি। হন্যে হয়ে খুঁজে ফিরি সেদিনের এক-বাঁশের সাঁকো  তার নড়বড়ে হাতল  পিছলা এ্যপ্রোচ  ছপাৎ করে লাফ দিয়ে উঠা শউল  লুঙ্গি দিয়ে জাপটে ধরা !   হারিয়ে গেছে অনেক কিছু  হারিয়ে গেছে কত স্মৃতি    তারপরও খুঁজে ফিরি:  সেই প্রিয় নদী, প্রিয় মাঠখানা  খুঁজে ফিরি বাড়ি ফেরার পথ  গ্রাম হয়েছে গ্লোবাল ভিলেজের অঙ্গ  গ্রাম পেয়েছে আধুনিকতার সঙ্গ...

শীতের ঢেউয়ে....... ।

শীতের ঢেউয়ে .....।             আ, ফ, ম, ইকবাল॥              পাহাড়ের বুকে  মায়াবী পৃথিবী  ধরে আছে   বিস্ময়কর সোনালী ছায়া ।  হিমেল রাতের   সজ্জিত আকাশ, চাঁদের পোশাক পরে হাসছে মিটিমিটি ! পাহাড়ের চুড়া থেকে   প্রবাহিত ঝর্নাধারা  সময়ের গোলমালের অজান্তে   অবিরাম নীরব যাত্রায় নিমগ্ন। পাহাড়তলীর সান্ধ্য আশ্রমে     কপোত কপোতির  নিভৃত নিবাস  পরস্পরের সাথে হৃদয় দেয়া নেয়া বৈভবহীন বিলাস !  ছায়া হচ্ছে দীর্ঘতর  ঝর্ণা মিশে যাচ্ছে   দয়াং কপিলি  মহাবাহু ছুঁয়ে  সাগর সঙ্গমে !   শুকিয়ে যাচ্ছে কেবল  প্রেমের বাসর  শীতের শেষ প্রান্তে  ন্যাড়া হয়ে যায় কতেক বৃক্ষ !                       ০৯। ০১। ২০২২। 

অশনিসংকেত !

অশনিসংকেত !               আ, ফ, ম, ইকবাল॥  আকাঙ্ক্ষার আকাশ অসীম,   হরিণ অভিলাষে মত্ত জীবন   নতুন নতুন আশা   নতুন দৃষ্টান্ত তৈরির অনন্ত কসরত   বাসনা বিলাস-    আকাশ পর্যন্ত ফুলে উঠুক আমাদের পরিচয় !  এ কোন অদ্ভুত তন্ময়তা ! পরিপক্কতার শৃঙ্খলে জড়ানো   সময় যত এগোচ্ছে   দায়িত্ব আঁকড়ে ধরছে.. আস্টেপিস্টে  শঙ্কা- কখন আদর্শ হয় ভূপাতিত    আটকে যায় জড়তার জালে   স্বার্থপরতা আর দাম্ভিকতার   খোদাই করা মিছা আদলে ! ধমনী ও শিরা অবশ হয়ে আসে ক্রমশ   তবু চলতে থাকি একই পথে  ভাবলেশহীন নিরুদ্দেশ ! মাঝে মাঝে স্তব্ধ হয়ে পড়ে থাকি    সমাজের ক্লেদাক্ত ভাষায়   কথা বলতে শুরু করি..   শঙ্কা হয়-  হ্যাঁ, সেই আশঙ্কা-  জানিনা কখন আদর্শ বিভক্ত হয়ে পড়ি !                              ০৮-০১-২০২২। 

ভারাক্রান্ত...... !

ভারাক্রান্ত..... !               আ, ফ, ম, ইকবাল।                দেখে এসেছি এবার   আম্মার সেই বয়স্ক আলমারি  যা দেখলেই মনে পড়ে যায়   আমার শৈশব আমার বাল্য  আমার চিরজীবি বিদেহী আম্মার কথা !    খুব প্রিয় আর পছন্দের বস্তু ছিল  আম্মার এই কালচে দাগ পড়া আলমারি।  মাকে নিয়ে ছিল আমাদের সুন্দর অনুভূতি   যে কয়দিন আম্মা যেতেন বাইরে   যেখানেই যেতেন-  তালা ঝুলানো থাকতো  মায়ের এই সম্পদের সিন্দুকে ‍!  অদ্ভুত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা !  যদিও চাবিটা থাকতো আব্বার বিছানার তলায়,   জানতো সবাই, কিন্তু ভঙ্গ হতো না সেই নিরাপত্তার ঘেরাটোপ !   বাচ্চাদের লালসা আর ভরসার  সে ছিল এক তৃপ্তিকর ভাণ্ডার !  যে 'খাড়া আলমারি'র অভ্যন্তরে ছিল   আম্মার পৃথিবী, আম্মার সাম্রাজ্য-  আজ তার হ্যণ্ডেল ভাঙা,  অবলুপ্ত আম্মার শাড়ি আর তাঁর জিনিসপত্র।  নেই সেই আচারের কৌটা গুলো  নেই থরে থরে সাজানো পান মশলার ডা...