Posts

Showing posts from March, 2021

রাষ্ট্রের প্রতি আকুতি কবিতা

*রাষ্ট্রের আকুতি! *          হে রাষ্ট্র, হে আমার স্বদেশ-  জাগো তুমি ভাঙো নিদ্রা তব এবার,  করো সম্বোধন রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোরে  উদাত্ত দৃঢ় কণ্ঠে বলো-  বলো আমি আছি,  আছি তব সঙ্গের সঙ্গী  হারিয়ে তোদের দেবোনা যেতে !  হয়েছে বিলম্ব জানি  হয়নি তবু সব নিঃশেষ !  জানি হে মোর দুর্ভাগা দেশ-  হৃদয়ে তোমার নিত্য বাজিছে সেল  রত্ন সম্ভার নিয়ে তব করছে যারা খেল  দাও আশির্বাদ তাদের-  হোক সুমতি  হোক নিদ্রাভঙ্গ !  রাষ্ট্র নয় শুধু   অভিভাবক তুমি  তুমি জনতার নির্ভর ঠাঁই !  তোমার হৃদয়ে কি দেয়না ছোঁয়া  আইসিইউতে পড়ে থাকা  সংস্থাগুলোর ক্রন্দন রোল?  শুনতে পাওনা  লুণ্ঠিত পিএসইউ-র হাহাকার ?  তোমার হৃৎপিণ্ড চিরে  উধাও হচ্ছে ধীরে ধীরে  হার্ট-লিভার-কিডনি-ফুসফুস  ফিরছেনা তবু হুঁশ?  ওঠো, এবার হও জাগ্রত-  অবোধ সন্তান   করছে যদি কিছু অপকর্ম  তাদের পথ দেখানো তোমার ধর্ম  দিওনা হাতছাড়া হতে  আর কোনো অবয়ব  বুঝিয়ো তাদের...

দ্বিপদী

নবীনকে দিতে ঠাঁই পুরোনোকে ছেড়ে দিতে হয়,  ছাড়তে মন্দ সময়ের সঙ্গ- অতীতকে ভুলে যেতে হয়;  এ ই তো জীবনের বাস্তব পরিচয়-  কখনো পরাভব, কখনও বিজয় !  

প্রত্যাশার পথিক কবিতা

  * প্রত্যাশার পথিক ।*               -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ প্রত্যাশার পথিক  এমনি কাটায় জীবন  নিমগ্ন হয়ে নিরন্তর  যেন তার অন্ত হবেনা কখনও !  তবু তার অনুভবে রয়  পেয়েছি যেটুকু সময়  হোক তা ক্ষণিকের তরে   জয় করে যাই তারে  কে জানে কোন মুহূর্তে  ভেঙে যাবে মেলা !   এই তো সুত্র জীবনের-   বেঁচে রই যতক্ষণ আছি বেঁচে  এক একটি ক্ষণ  এক একটি আয়োজন  করে নিই তার পূর্ণ প্রয়োগ ।  পড়ে আছে চারপাশে  কত দিশা কত নেশা  পড়ে আছে কত  রত্ন সম্ভার,  সবকিছুই নয় যে আমার  রাখতে হবে সে নিয়ন্ত্রণ !  পান্থের এই পদযাত্রা  করে তুলি সফল স্বার্থক  ময়দান করে তুলি কুসুমিত  যেমন করে নিরত মালী  অনুর্বর বন্ধ্যা ভূমে !                     ২৯-০৩-২০২১ 

স্মৃতির কপাট কবিতা

*  স্মৃতির কপাট ! *                       -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  স্মৃতি বড় অদ্ভুত স্থিতি  পেলেই অবকাশ  আপনাকে যখন  মনে হয় বড্ড উদাস-   কখনও হাসি- কান্নার আবহে  কখনও ভাবাবেগের মোহে  নিয়ে চলে তার নিবাস !  হঠাৎ করে  দেয় উজাড় করে  হৃদয়ের কুঠুরিতে  জমে থাকা বরফের টুকরো যত,  লুকিয়ে ছিল যা  যুগান্ত ধরে অনাবিল অবিরত ।  কত হারিয়ে যাওয়া  চেনা চেহারা  কত স্মৃতি দিশাহারা  ভুলে যাওয়া অগনন মিত্র  ছিল যারা ধারেকাছে  আজ নৈর্ব্যক্তিক স্থির চিত্র !  হ্যাঁ, তার মাঝে ছিল  কেউ একজন  একান্তই কাছের জন  বুনে ছিলাম দুজনে মিলে  কত কল্পনা পরিকল্পনা  হয়নি যা কখনও বাস্তবায়ন !   ধীরে ধীরে কলতানে  পায়ে পায়ে এগিয়েছিলাম  দুজন দুজনের পানে  কত শলা কত কথা  হয়েছিল কানে কানে-  অকস্মাৎ কেমন সে হারিয়ে গেল  অজ্ঞাত কোন মোহাবেগের টানে !  হলোনা নতুন পথের যাত্রা  হলোনা কাঙ্ক...

দ্বিপদী

জীবনটা নয় কি সংবাদ পত্রের মতো বিদঘুটে-  যে যার পাতা কেবল পড়ছে খুঁটে খুঁটে ! 

ভাবনা সমসাময়িক

ভাবনা সমসাময়িক ।  ~~~~~~~~~~~       আমাদের মুসলিম সমাজে অহরহ একটি কথা উচ্চারিত হতে শোনা যায়- ঐক্যের অভাবে মুসলমান সমাজ পিছিয়ে পড়ে আছে। কথাটি মিথ্যাও নয়। কিন্তু কেন? এমনটা তো হবার কথা ছিল না।       বলা হয়েছে ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি মৌলিক বিধান। কালিমা শাহাদাত- অর্থাৎ একমোবাদ্বিতিয়ম আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন এবং তাঁর রাসূলের প্রতি বিশ্বাস। দ্বিতীয়- সালাত, বা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ আবশ্যিকভাবে আদায় করা। তৃতীয়ত রমযান মাসে সিয়াম বা রোযা পালন। চতুর্থ, সামর্থ্যবানদের উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ বার্ষিক যাকাত আদায় করা। এবং সামর্থ্যবানদের উপরই জীবনে একবার হজ্জ আদায় করা।       আলহা'মদু লিল্লাহ, এই পাঁচ মৌলিক কর্ম আমরা ভালোই জানি এবং মেনেও চলি। কিন্তু মুশকিল এবং আফসোসের বিষয় হলো- ইসলামকে আমরা এই পঞ্চক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রেখেছি। ঈমানদার বলে আমরা দাবি করি, আল্লাহপাকের একত্ব নিয়ে নিঃসন্দেহে আমাদের পূর্ণ ঈমান রয়েছে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম যে আল্লাহর রাসূল- সে কথাও আমরা নির্দিধায় মেনে চলি। কিন্তু য...

দ্বিপদী

রাতকে রাতই বলবো বলবো সত্য জানি যা,    দু-ফোটা ঝরলেই বারি এসে যায়না বরষা !  

নিবেদন

* নিবেদন ! *             -আ,ফ,ম, ইকবাল॥             আমি যখন রইবনা আর বন্ধ হবে শ্বাস-প্রশ্বাস,    ঘরের কোণে থাকবে পড়ে নিথর দেহের একটি লাশ !       ঘরের মানুষ দেবে খবর বাইরের আত্ম-আপন জনে,    লাশ দাফনের করো ফিকির যত শীঘগির এসে এই ক্ষণে,    সুকঠিন সেই সঙ্কটকালে দেখিও মাওলা জান্নাতের আশ্বাস !       কাফন দাফন করে তাড়াতাড়ি ফিরবে যে যার বাড়ি    আঁধার ঘরে আলোক ধরে দিতে পারে কে গো মাবুদ তুমি ছাড়ি-    রাহিম নামের দৌলতে মোর ক্ববর করো জান্নাতি নিবাস !    নাই হাতিয়ার আমাল সামান নেই যে কোনো  সঞ্চয়,    দীর্ঘ জীবন পেয়েও আপন করেছি শুধু আয়ু ক্ষয়-    যাবার বেলায় বরযখ মেলায় ভরসা কেবল রাহমাতের বাতাস !                          ...

Couplet

SUCCESS IS A JOURNEY- NOT THE DESTINATION,     ACHIVEMENT IS THE ULTIMATE PERCEPTION . 

চারপদী

চলে যা গেছে, তা লয়ে যে করেনা ভাবনা,  অর্জন যা হয়েছে- তারে হাতছাড়া যে করেনা,  সফলতা সক্ষম সহজেই সে  সময় পরিস্থিতি লয়ে অযথা যে করেনা কান্না ॥ 

চিত্ত গীতি কবিতা

  * চিত্ত গীতি । *                        -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                         পায়ের চোট আর ভাবনা ক্ষুদ্র-  এগিয়ে যেতে দেয়না সম্মুখে,  টুটা কলম অন্যের প্রতি জ্বলন  দেয়না নিজের কপাল লিখে !  কাজে অলস টাকায় লালচ   গজিয়ে তোলে হীন ভ্রুকুটি ,  সব পাওয়া যায় জগত খুঁজে  যায়না কেবল আপন ত্রুটি !  মরচে ধরা পিনের আগায়  হয় যে জমা কেবল বিষ,  ভাবের জগত হারালে দিশা  অনুতাপের অনল জ্বলে অহর্নিশ !  মহান রূপে জনম পেয়েও  ক্ষুদ্র কেন হবে তোমার ভাবনা ?  চিত্ত তোমার ব্যপ্ত করে  এগিয়ে লভো সমাদর আর শান্তনা ।                         ২৪-০৩-২০২১

জীবনের রঙ কবিতা

   *  জীবনের রঙ। *                    -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  হবে কেমন জীবনের রঙ  নির্ণয় তা নিজেকে করতে হয়,  বিধাতার আরোপিত এ বিধান-  ফলাও জীবনের ফসল স্পন্দিত বাঙ্ময়।   গড়েছো কানন যদি শুষ্ক বালুচরে  ভাসিয়ে নেবে মৌসুমী বন্যায়,  বুনে দেখো মহীরুহ বীজ  সাক্ষ্য হয়ে রবে তা পরম্পরায় !  জীবনের এমনটাই না-লেখা বিধান  গ্রহণ করো ক্ষণিকের লোভনীয় অথবা আসল,   নিজের নির্বাচন সাধনা আপন-  করবে যেমন কর্ম- নিশ্চিত তেমনি ফল !                     ২৪-০৩-২০২১ 

কন্যা রতন !

এটাই পরম্পরা, এটাই বিধির বিধান, তাই সবাই মেনে নেয়, মেনে নিতে হয় !  নইলে কি এটা সম্ভব হতো ?‌       বলছিলাম মেয়েদের কথা। সেই মেয়ে যে ঘরকে করে রাখে আলোকিত, মুখরিত, লাবন্যময়; যে মেয়ের সাথে গ্রন্থিত রয় প্রাণের টান, ঘরে যে মেয়ের চলন বলনে উজ্জীবিত  হয় আপন হৃদয়ের অনুরণন, যে মেয়ের আহ্লাদ আবদার যেমন প্রাণান্তকর, তেমনি যার চপলতা চঞ্চলতা যেন মধুকরের গুঞ্জন- সেই মেয়েকে দূরেেেে সরিয়ে কি কেউ টিকতে পারতো ?        হ্যাঁ, বিধির বিধান মেনে তাকে পৌঁছে দিতে হয় আপনার নীড় বুননের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। কিন্তু পিতৃ-মাতৃ হৃদয় জানে সে কত বড় ত্যাগ, কতটা দুঃসহ!        তবু যদি যখন মন চায়, যখন ইচ্ছে করে- দেখে আসা সম্ভবপর হয়, তাহলে হয়তো বেদনার অনুভব খানিকটা লাঘব হতে পারে!   অন্যথায়- কেবল ছটফটানি, কেবল অস্থিরতা, কেবল তড়পানো !       সকল মেয়েরা সুখী হোক, সমৃদ্ধ হোক তাদের ঘর-সংসার। উত্তরোত্তর পরিবৃদ্ধি ঘটুক তাদের ইহ ও পরলৌকিক প্রাগ্রসরতা ! 

WHAT IS AFFECTION ?

What is Affection ?  When you are pained  Shed tears unknowingly-  You are in love !  When you are hurt by near ones  Feel deceptive in mood-  You are affectionate !  When dry sands creating some equations  And you are puzzled-  You are in dilemma !  But when someone calls you incessantly  From the core of heart-  That's too the true love !                        21-03-2021

বিশ্বের বিষ্ময়

বিশ্বের বিষ্ময় !      হ্যাঁ, আমাদের এই বিশ্বভুবনটা অবাক বিস্ময়ে ভরা। যেদিকে তাকাই, কেবল বিষ্ময় আর বিষ্ময়!      বিষ্ময়ের অন্যতম স্বরূপ হলো জগতের প্রতিটি শ্বাশ্বত বস্তুর রয়েছে দুটি ভিন্ন দিক। ধরুন আমাদের সবচাইতে কাছের জিনিস বাতাস। তার একটি ফুরফুরে রূপ মৃদুমন্দ ঝিরিঝিরি হাওয়া। অপর রূপটি করাল ঝড়ো তুফান! যা দিগ্বিদিক করে দেয় খানখান!      একটি নদী। কখনও বন্যার প্রবল বেগে মহাপরাক্রান্ত, কখনো আবার শুষ্ক 'মরাগাঙ'!      সাগর মহাসাগর জোয়ারের বেগে তট পর্যন্ত বিস্তৃত, আবার ভাটার টানে অনেকটাই নিমজ্জিত!      আমাদের বসবাসের ঠিকানা- এই ধরণী, সে ও দুই বিপরীত ধর্মী শক্তির মুখোমুখি। আকর্ষণ আর বিকর্ষণ। মাঝখান থেকে ব্যালান্স করে রেখেছে অন্য একটি তৃতীয় শক্তি- মাধ্যাকর্ষণ!      চাঁদের যেমন রয়েছে শুক্ল আর কৃষ্ণ পক্ষ, তেমনি সূর্যের উদয়-অস্ত, পরিণাম দিনরাত।      এভাবে প্রাণী জগতে দুটি স্বত্বার চিরন্তন অবস্থান- নারী আর নর! কর্মের, কথার, অভিব্যক্তির ও দুটি দিক- ভালো মন্দ।      ঠিক তেম...

দ্বিপদী

অপমান সয়ে চলেছো যদি নিরন্তর আজ- হতে হবে কাল হেনস্থা;  ভোটের মেশিন টেপার আঙুল রয়েছে তোমার হাতে- অবলম্বন করা ব্যবস্থা !

প্রতীক্ষা ।

      *  প্রতীক্ষা । *             -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥              কিছুই নয় শ্বাশ্বত জগতে  না তুমি, না আমি  না তোমার আমার   মাঝের এই সম্বন্ধ গহন !  সদা জাগ্রত জগতের   এক সত্য হলো প্রতীক্ষা  সে ছিল তখন  যখন ছিলেনা তুমি  ছিলাম না যখন আমি  রয়েছে আজও  যখন একসাথে রয়েছি  দুজন আমরা দুজনের পাশে । প্রতীক্ষা-  সে রইবে জীবন্ত তখনও  যখন ছেড়ে যাবে তুমি  ছেড়ে যাবো আমি  আপাত অমৃত এই সুন্দর ধরণী !  প্রতীক্ষা নয় বস্তু কিছু আকরিক  নয় কোনোও জাগতিক  লেহ্য পেয় ভোগ্য সামগ্রী কিছু,  প্রতীক্ষা আমাদের  ভেতরের এক ভ্যাকুয়াম শুধু !                     ১৮-০৩-২০২১ 

দ্বিপদী

সম্পদের উত্তরাধিকারী বহুজন হয়,  আপন কর্মের অভিবাসী তুমি ছাড়া আর কেউ নয় ! 

Couplet

When a sea on high tide- soon it's to face the ebb,  Time leaves no show unconcluded- of any shape ! 

দ্বিপদী

অনেক মন্দ দোষ রয়েছে মোর ভাই- করে দিও মাফ,  আর মাঝেমাঝে তোমার আয়নাখানিও করে নিও সাফ !

দ্বিপদী

হাতে ধরিয়ে চাঁদ-তারায় ভরা এক টুকরো রঙিন আকাশ,  সরিয়ে নিয়েছে স্বপ্নচারী পায়ের তলার মাটি তব- ওরে উদাস !

Couplet

When a sea on high tide- soon it's to face the ebb,  Time leaves no show unconcluded- of any shape ! 

আলোচনা, সমালোচনা এবং চাটুকারিতা।

আলোচনা, সমালোচনা এবং চাটুকারিতা।        আলোচনা বলতে সাধারণত আমরা বুঝে থাকি সংলাপ,আলাপন বা বৈঠকি গল্প। খোশগল্পের আসরে হোক অথবা ঘরোয়া বৈঠকে, নানা বিষয়ে যখন একাধিক ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ আলাপচারিতা করে থাকেন, তাকেই আমরা আলোচনা বলে থাকি। অনেক সময় এসব আলোচনায় কিছু জল্পনা-কল্পনা বা নিন্দাবাদ জিন্দাবাদ চলে আসে, তখন তা আর সাধারন আলোচনার পর্যায়ে থাকে না আলোচনার তখন চরিত্র পাল্টে যায়।         সংসদ Bengali-English Dictionary-তে আলোচনা শব্দের যেসব তরজমা করা হয়েছে, তার একটি হল অনুধ্যান, অর্থাৎ ধারাবাহিক চিন্তাচর্চা। আবার Phonetic (Englis- Bengali) অভিধানে, আলোচনা শব্দের অর্থ বলা হয়েছে চর্চা, বিচার, অনুশীলন।         অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে আলোচনার ব্যবহার বহুবিধ। এ হতে পারে নিছক আলাপ, বিতর্ক, বক্তৃতা, বিচার-বিবেচনা, অনুধ্যান, কথাবার্তা বা কথোপকথন। যেখানে আলোচকের কোনো ছকে বাঁধা যোগ্যতা বা কোয়ালিটি থাকা আবশ্যক নয়। তাই বলা যেতে পারে-  আলোচনা হচ্ছে আলাপচারিতার বিভিন্ন রূপ বা প্রকৃতি মাত্র।          সম...

শেষ বিদায়ের পর। কবিতা

  *  শেষ-বিদায়ের পর । *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                      নিভে যবে যাবে জীবনের দ্বীপ  ফুরাবে এই জগতের খেলা,  স্মরিও মোরে বারেকের তরে  ভুলে গিয়ে সব অবহেলা !  পাতায় পাতায় মোর জীবনের  ভরা অগনন বিচ্যুতি আর ভুল,  আত্মমগ্ন উন্মাদনার ঘোরে  ভেবেছি সেসব কেবল ফুটন্ত ফুল;  বিনয়ের সুরে বলি করজোড়ে  করে দিও ক্ষমা বিদায়ের বেলা ।   এগিয়ে যারা গেছেন চলে করবো তাদের পিছু পিছু, সম্বলহীন কেটেছে জীবন নিয়ে যাবার নেই কিছু;  ভাঙবে যখন নিদ্রা- বেলা যে তখন গেছে পড়ে  খেলার মাঠে শুন্যতা শুধু কেটেছে সময় করে হেলা !  আসা যদি হয় কোনো অবসরে   জিয়ারত তরে কভু মোর ক্ববরের পাশে  ফুলের তোড়া নিয়ে নয় ভাই  এসো খানিক সময় যাপন করতে অবকাশে   সুরাহ্ মুল্ক-ঈয়াসিন সঁপে দিও  আলমে বরযখের সেই মেলা !                   ...

বিদায় ক্ষণে কবিতা

  *  বিদায় ক্ষণে । *                          -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  যেদিন আমার হবে মরণ সাঙ্গ হবে জগতের এই খেলা,   জান্নাতুল বাকীতে মোরে কৃপা করে এতটুকু ঠাঁই দিও মাওলা !   নাবীর পাগল বছর ধরে সফর যারা করবে মদীনায়,  ক্ববর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা করবে দোয়া নিরালায়;  সবার সাথে বান্দাহ অধম পাইবো নাজাত সেই বেলা !  নসীব যদি দেয়না সাড়া মরণ যদি হয় দেশে মোর ভাই,  বাবা-মায়ের পায়ের তলায় হয় যেন মোর শেষের ঠাঁই !  নিজ মহল্লার গোরস্থানে হবেনা বোধ তখন আর একেলা।  দাফন শেষে জনাকয়েক দাঁড়িয়ো পাশে  কিছুক্ষণ,  করো সহায় করবো কেমন আপনারে সেথা নিয়ন্ত্রণ;  পুঁজিহারা গোনাহগার মাটির তলায় যখন বে-সাহারা মাগফিরাতের দোয়া ছাড়া সেথায় তো আর চলবেনা ভিন খেলা !                                ১৫-০৩-২০২১ 

জাগো হে যুবক কবিতা

* জাগো হে যুবক। *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ ওঠো তুমি, ওঠে উঠে দাঁড়াও হে যুবক     ধীরে ধীরে সূর্যের মতো করে   অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে তোমায়    জীবনের তপ্ত যাত্রাপথ ধরে।   হতেই হবে উত্তীর্ণ তোমায় সেই পরীক্ষায়    সোনারি যেমন অগ্নিতে ঢেলে     স্বর্ণের স্বত্বা পরখ করে     সময়ের মুকুরে আলোকিত হতে হবে     তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাস।  জীবনের সুর তাল লয় হবে না    সদা তোমার অনুগত    গাইতে তবু হবে তোমায় জীবনের গান    খাড়া করতেই হবে-   হেনো তুমি জগতের সেরা অবদান।  হও আগুয়ান   সেই কাননের মাঝখান দিয়ে   লাগে লাগুক কাঁটা কিছু পায়ে    তুলে ধরতে হবে হাতে ফুটন্ত কুসুম   অলিকুল করবে পেছনে ধাওয়া তব    শুনাবে গুনগুন গান।  তোমার চোখের হরেক লহমায়    তুলতে হবে ফুঁটিয়ে নব নব রূপ    পদে-পদে বুনে চলো স্বপ্নের ব...

দ্বিপদী

নফরতের নেই স্বতন্ত্র স্বত্বা, আপন কোনও স্থিতি,  এ কেবল হৃদয়ে আপন প্রেম ভালোবাসার অনুপস্থিতি !

দ্বিপদী

শেখা যদি হয়না সহাস্য বদনের আড়ালে লুকানো বেদনার স্তর,  বিনষ্ট তোমার সকল জ্ঞানার্জন ইকবাল- শুষ্ক মরুর দেশ তব অন্তর !

দ্বিপদী

বেঁচে যায় কিছু লোক আপন সাধনায়, নিজের হিম্মত বলে,  মাল্লার সাহসে করে ভর ডুবে যায় কতজন স্রোতের অতলে ! 

কলার ব্যাপারি

কলা ব্যাপারির কেচ্ছা।       বিদ্যুৎ বিভাগের অফিসের সামনে বসে কলা বিক্রি করছিল মাঝবয়সী কলা ব্যাপারি। অফিস থেকে বেরিয়ে এলেন বিল সেকশনের বড়বাবু। সুন্দর চমৎকার কলাগুলো দেখে তার দৃষ্টি আটকে গেল। ব্যাপারিকে জিজ্ঞেস করলেন- কলার দাম কত?       -বাবু, আগে বলুন কোন কাজের জন্য কলা নিচ্ছেন?      -সে আবার কি কথা? কলা আমি কিনবো যে কাজের জন্যই হোক না কেন, সেটা তুমি জিজ্ঞেস করতে যাবে কেন?       -না বাবু, আগে বলুন কাজটা কি? দামটারও সেই অনুযায়ী তারতম্য রয়েছে। এই ধরুন যদি পূজা দেওয়ার জন্য নেন তাহলে, ডজন কুড়ি টাকা করে। টিফিনের জন্য নিলে ডজন তিরিশ টাকা। ঘরের কোনোও পার্টির জন্য নিলে ডজন চল্লিশ টাকা। আবার পিকনিকের জন্য নিতে চাইলে ডজন হবে পঞ্চাশ টাকা করে। এবার বলুন আপনি কোন কাজের জন্য নেবেন?       বড় বাবুর মাথায় রাগ চড়ে গেলো। ধমকি দিয়ে বললেন- এটা কি মশকরা করছো? এখানে বসে কলা বিক্রি করবে আর যা খুশি দাম বলবে, তাহলে তোমাকে এখান থেকে উঠিয়ে দেবো। একই কাঁদির কলা, দাম আবার ভিন্ন ভিন্ন হয়, মজা করছো ?   ...

ফেসবুকীয় কিছু অভিজ্ঞতা।

ফেসবুকিয় কিছু অভিজ্ঞতা।        স্কুলে পড়ার সময় স্যাররা সাহিত্যের পাঠ পড়াতে গিয়ে কোনও সময় কিছু কিছু বাক্য বা কাব্যাংশ দিয়ে বলতেন- সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা লিখো।       যেমন- 'যেখানে কূলীন জাতি সেখানে কোন্দল' । কিংবা- 'আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে'।  অথবা  '.....Mr.Bell rang the bell of alarm in my ear and I awoke' .  কিংবা জুলিয়াস সিজারের সেই বিখ্যাত উক্তি- “You too, Brutus?"         এসব বাক্য বা কাব্যাংশ শুনে, কেবল ফেসভ্যালু দিয়ে উদৃতাংশের তরজমা বেছে নিলে তার অর্থ যা দাঁড়ায়, বাস্তবে তার তাৎপর্যের মধ্যে যে আকাশ পাতাল ফারাক রয়ে যায়, ছাত্রাবস্থায় কিছুটা হলেও তা আমরা উপলব্ধি করেছি।          এই যেমন অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণাকে, যিনি আত্মগোপন করে নদী পারাপার করতে নদীতীরে পৌঁছেছেন- তাঁর পরিচয় ব্যক্ত করতে বলায় দেবী রূপকে বাস্তব পরিচয় দিয়েই যাচ্ছিলেন, কিন্তু পাটনী তার সরল তরজমা অনুভব করে বিরক্তির সাথেই বলেছিল- 'যেখানে কূলীন জাতি সেখানে কোন্দল'! অর্থাৎ বড়লোকদে...

রাজ-কৌতুক !

রাজ-কৌতুক !       না না, আমি কোনো নতুন ধরনের কৌতুক আবিষ্কার করতে যাচ্ছি না। কৌতুক নিয়ে আমার রাজ-ভাবনা ব্যক্ত করছি শুধু।       সার্কাসে আমরা দেখেছি কিছু সঙ থাকেন,যারা (হাল্কা) ডাণ্ডা দিয়ে একে অপরের পেছনদিকে টুশ করে মেরে দারুন মজা দিয়ে থাকেন।       সিনেমায় রয়েছেন কিছু কৌতুক অভিনেতা- যারা এমনতর ভূমিকায় অভিনয় করে থাকেন যার মাধ্যমে দর্শক মজা উপভোগ করেন।       ঠিক সেভাবেই শের-শায়রির জগতে কিছু 'ব্যঙ্গ কবি' কৌতুক কবিতার মাধ্যমে বিপুল হাততালি কুড়িয়ে থাকেন।       কিন্তু আমার অনুভব- এইসব প্রোফেশনাল কৌতুকাভিনেতাদের চাইতেও অধিক আনন্দময় রসালো কৌতুক পরিবেশন করতে পারেন আমাদের রাজ-নেতাগণ।       কিছু উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।‌ যেমন ধরুন- পেট্রোলের দাম ষাট টাকা হয়ে যাওয়াতে কেউ একসময় জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়তেন- 'পেট্রোল কা দাম' কম হওয়া চাই কি না, আজ পেট্রোল সেঞ্চুরি পার করার পর এই দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ে চুপটি মেরে থাকা শ্রেয় মনে করেন।      ...

দ্বিপদী

করে নাও অধ্যয়ন জীবনের গ্রন্থ- তার সেরা উস্তাদ আর কে হয়,  নিলে দীক্ষা হেথা হতে- সত্য অ-সত্যের হয়ে যাবে পরিচয় !

দ্বিপদী

আঁধার দিয়েছেন যিনি রোশনিও যে তাঁরই উপহার,  ভূতল হতে নভোলোক, সবকিছু তাঁরই- কি আছে আমার!

জীবনের তৃষা। কবিতা

 *  জীবনের তৃষা । *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                       মন যখন উদাস উদ্বেগহীন,   চিত্ত কেমন হয়ে ওঠে বিষন্ন মলিন।    হেসে খেলে যখন কেটে যায় কাল,  মননের প্রান্তরে হয় জাগ্রত বসন্তকাল। নিবিষ্ট হয় ধ্যান শুনলে মরমের আহ্বান,  তরতরিয়ে উড়ে ফেরে প্রজাপতি প্রাণ !  হঠাৎ যখন বেজে ওঠে বাদলের গর্জন,  লম্ফ দিয়ে উঠে হেন চুলোর হুতাশন! নদী যবে তৃষ্ণার্ত হয় কামড়ে খায় পাড়,  জীবনের তৃষা অসীম হলে করে জীবনটাই অসাড়!                               ০৯-০৩-২০২১

নস্টালজিয়া কবিতা

  *  নস্টালজিয়া !  *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  ছেড়ে আসা দিনগুলো আর ফিরবেনা কভু,  কত কথা কত স্মৃতি যায়না ভুলা তবু।  মনে পড়ে কাগজের নৌকা ভাসানোর সেই দিন,  মনে পড়ে কাগজের প্লেন উড়ানোর ক্ষণগুলো রঙিন !  মনে পড়ে সুপারির ঝরে পড়া গুটলির গুটি খেলা,  মনে পড়ে গ্রীষ্মের দুপুরে পুকুরের লাইকখুলি খেলা !  লুটকির পাকাগুটি খেয়ে খেয়ে মুখ ঠোঁট কালো,  লুকলুকি পিচুণ্ডির গুটিগুলো কার না লাগতো ভালো ?  সিঞ্চন করে কুয়া ধরে আনা পুটি টেংরা দাড়কিনা,  চিংড়ি ধরা তুলে তুলে পুকুরের যত কচুরিপানা !  ছড়ার পারের ডেফল গাছ পুকুর পাড়ের বরই-  আকুলতায় মাখা দিনগুলো ভেবে আজও ব্যাকুল হই !   ছেড়ে এসেছি বাল্য হারিয়ে গেছে কৈশোর যৌবন,  বার্ধক্যের কোলে চড়ে ভাবছি এবার- সব হারিয়ে যায় কখন !  দিবস শেষে থাকতো অবশেষ তবু গুটিকয়েক মার্বেল,  জীবন শেষে কী রইবে জমা- তাই ভেবে হই উদাস উদ্বেল !                  ...

Couplet

Do a good deed today and through it in the river-  Your patience once multiply would it deliver ! 

দ্বিপদী

কোথায়  রাখবে লুকিয়ে বিনয়  যে দিকে তাকাও বেইমান খাড়া,  বিকাশের ঠেলায় খেতের জমিতে বিল্ডার্স   আর সড়কে কৃষক খাড়া !

সাগর সঙ্গমে। কবিতা

  * সাগর সঙ্গমে। *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                      সাগরের তীরে খাড়া মুসাফির  নিরালা  ভাবছিল কিছুক্ষণ  কিছু আনমনে,  ফিরে তাকায় শুনে সাগরের গর্জন-  বালুকায় ডুবে যাচ্ছে পদযুগল !  ফিরে তাকায় সাগরের পানে  মাথা নেড়ে শুনে  বলছিল সাগর তারে কিছু  হয়নি বোধগম্য !  চেয়ে দেখে পেছনের পানে  বদলে গেছে অনেক কিছু  বদলে গেছে জীবনের ধারা  বদলে যাচ্ছে মানুষের মনন  পাল্টে গেছে বাতাসের রোখ  'কেন শুধু পিছু ফেরা  কেন করো অতীতে বিরাজ  এগিয়ে চলো গন্তব্যের দিকে  সুখসঙ্গম পানে!'  সাগরের সুর পরিচ্ছন্ন এতোক্ষণে!  জানে পরিব্রাজক  আসছে আরেক লহর  তুলে নিয়ে যাবে তারে  ঢেউয়ের হেঁচকা টানে-  ডুবছে পা ধীরে ধীরে   কঙ্কর অঙ্গনে !           ০৬-০৩-২১

চারপদী

বয়ে চলেছে জীবনের ধারা- এমনি বইতে দাও,  আরশির ছায়া আমি- আরশিতে রইতে দাও !  আনন্দমার্গে করছি বিহার- খানিক করতে দাও,  যাত্রা যখন অন্ত হবে- পিতৃ সদনে পৌঁছিয়ে দাও !

দ্বিপদী

আপন দ্বারে কখনও আপনারে পাই প্রতিবন্ধকরূপে খাড়া,   নিজের গর্ব অহঙ্কার দিয়ে চলে হুঙ্কার- আনত করিসনা শিরদাঁড়া !

দ্বিপদী

কষ্টেসৃষ্টে রেখেছি বাঁচিয়ে কোনোক্রমে আপন ঘরের খাট,  হয় বড়ো পীড়া গুটিকয়েক কীড়া খতম করে দিচ্ছে দেশের কপাট !

দ্বিপদী

সঙ্কটকালের যাত্রী মোরা নিদেন খুঁজে না পাই, ভ্যাবাচ্যাকা হয়ে ভাবের বাজারে ঘুরে ফিরি তাই!

দ্বিপদী

যেতে হয় বহুদূর খোঁজ পেতে তারে পাছে-  কে সেইজন বিরাজ করে একেবারে কাছে!

সময়ের নির্মম যাত্রা । কবিতা

 *  সময়ের নির্মম যাত্রা। *                            -আ,ফ,ম, ইকবাল।  ব্যস্ত যে আমি এখন করছি আমার প্রিয় সঙ্গীতের গুনগুন,   দেখে নেবোখন পরে লেগেছে কোথায় কার ঘরে আগুন !  আরে- আমি যে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় করছি সমাজ-বিশ্লেষণ,     দেখে নেবো পরে পথের ধারে কে করেছে আজ আত্মহনন !   এই ক্ষণে আমি প্রেয়সীরে আমার করছি সাচ্ছা প্যার,      খবর নেব পরে স্টেশনের ধারে কোন মেয়েটির হয়েছে বলাৎকার!   মস্ত আয়োজন মোর ঘরে আজ বার্ষিকীর মহাভোজন,    সংবাদ অবশ্যই নেব ক্ষুধিত আর অন্নের দূরত্ব কত যোজন!  ব্যস্ত আজকাল আমি প্রকাশ করতে শিগগির কবিতার সঙ্কলন,     অবসর হলে ব্যক্ত করব দেশে কেন হচ্ছে এতো হিংসার উৎপাদন! আপন জগতে বিচরণে মশগুল আমি আমার সৃজনশীল কর্মে,     কিছুই বলবো না তাই- যতক্ষণ ধরছেনা ঘিরে সকল সংকট মোরে মর্মে মর্মে!!                            ...

দ্বিপদী

ভরসা কাঁচের পাত্র- নাজুক ভীষন, একবার যদি হয় ছিন্ন,  যতই লাগাও জোড়াতালি চেহারা দেখায় ভিন্ন !

দ্বিপদী

চিকিৎসা পদ্ধতি হোক যে কোনো প্যাথি উত্তম যখন প্রয়োগ যখন হয় সঠিক মাত্রা,  চিকিৎসকের লাইসেন্স যদি টাকায় বিক্রি হয়- গণতন্ত্রের তরে তা ভীষন 'খতরা'!

দ্বিপদী

নেতৃত্ব সঙ্কটে বড় আজ- বিকোচ্ছে পণ্য হয়ে,  ইনসাফ বেড়াচ্ছে পালিয়ে তাই ব্যাপারির ভয়ে!

চারপদী

কেউ নয় জগতে পূর্ণ, পুরো আত্মনির্ভর,  হোকনা সে চাঁদ তারা অথবা সমন্দর ।   টিকে আছে সব একে অপরের সাহারায়-  হয়না জগতের কেউ একান্তই স্বনির্ভর !

চারপদী

প্রেমের প্রথম বুলি -  হোঁচট খেতে হয় ব্যক্ত করতে।  পাখির ছোট্ট ছানা-  সময় তো লাগে উড্ডয়ন শিখতে।  আকাশে পাতালে সম্বন্ধ হয়ে গেলে  আজীবন অটুট সে বন্ধন ।   প্রেমের অদ্ভুত ধারা-  ছন্দ পাল্টায় কভু, হয়না ছন্দপতন। 

চারপদী

এসো, সত্যের পথে চলি ভাই ত্যাজি অহঙ্কার,  অনুগামী হই তাদের সোজা পথে চলে যারা ছেড়েছে সংসার !  করি পরিহার সঙ্গত তার অভিশপ্ত যে ইহ-পরকালে,  না হয়ে বিচ্যুত সত্যের পথ হতে কোনোও ক্রমেই কোনো কালে ।