ধর্মাধর্ম ।
ধর্মাধর্ম ।
••••••••••
সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে যেমন অনেক অনেক উত্তম মনুষ্য সক্রিয় এবং ক্রিয়াশীল বিদ্যমান থাকে, তেমনি অবস্থান করে বহু সংখ্যক চোর বদমাইশ বলাৎকারি তথা অত্যাচারি নপুংসক ও।
কোনো ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিন্তু এসব অপকর্মের শিক্ষা দেয় না বা প্রচার প্রসার করে না। তথাপি দেখা যায় এই চোর বদমাইশ লম্পটরা অন্য ধর্মাবলম্বী অপকর্মকারিদের অপকর্ম নিয়ে প্রবলভাবে সোচ্চার হয়ে থাকে। কিন্তু নিজেদের কর্মপন্থার পুনর্বিবেচনার আবশ্যকতা বোধ করে না! এবং তার চাইতে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো এসব দুষ্কর্মী নষ্টদের প্রভাবে অনেক এমন মানুষও প্রভাবান্বিত হয়ে পড়ে যাদের বিবেকবান জ্ঞানী গুণী বলে সমাজে পরিচিতি রয়েছে। রয়েছে যথেষ্ট বিদ্যা শিক্ষা এবং ডিগ্রি ও। এবং আশ্চর্যজনকভাবে বহুক্ষেত্রে এসব নষ্ট মানুষও শাসনকার্যে নিয়োজিত হয়ে থাকে- সেইসব শিক্ষিত গুণীজনদের উপর!
আপাতদৃষ্টিতে রূঢ়-রুক্ষ মনে হলেও খোলা চোখকান নিয়ে যাচাই করলে আমাদের পারিপার্শ্বিকতায় আমরা কি দেখতে পাই ? ওইসব আদর্শ বিচ্যুতরাই ক্ষমতাধর, প্রভাবশালী নয় কি ? আর বৃহত্তর আলোকিত মানুষ না চাইলেও সেইসব অপাংক্তেয়দের অধীনস্থ হয়ে থাকতে বাধ্য !
তাই আমাদের মনে রাখা আবশ্যক যতক্ষণ সমাজ সদস্যদের মধ্যে ধর্মের ভিত্তিতে বিবাদ বিসম্বাদ চলতে থাকবে, ততোক্ষন সমাজে বরবাদির ফসল ফলবে। উন্নতি প্রগতি হবে লাইনচ্যুত, বাধাগ্রস্ত। যা আমরা প্রত্যক্ষ করছি আমাদের পারিপার্শ্বিকতায়।
এবার হুঁশিয়ার মানুষেরা যদি মনে করে থাকেন আমাদের কি যায় আসে, আমরা তো বিবেকবর্জিত কিছু করতে যাচ্ছি না, তাহলে মনে রাখুন কাল যদি আপনার সন্তান নিজের যোগ্যতার বলে এক বড় আধিকারিক ও হয়ে উঠে, তাহলে সে কাদের চাটুকারিতা করতে বাধ্য হবে ? নতমস্তক হয়ে কার অধীনে কর্ম করতে হবে তাকে ? তাই সময়মতো আবশ্যক পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আপনার সৎভাবে লালিত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যে সম্ভাব্য পরিণাম, তার থেকে আপনার বিবেক কি মুক্তি পাবে?
Comments
Post a Comment