Posts

Showing posts from January, 2021

দ্বিপদী

নফরতের বাদল ছেয়ে গেছে চারদিক, করেছে এতোটাই বিমর্ষ,  ভুলে গেছে শাসিত শাসকবর্গ গান্ধীজির সকল শিক্ষা,বিনয় আদর্শ!

দ্বিপদী

আমীর যখন গরীবকে করে লুটপাট- তারে কয় ব্যবসা,  গরীব যখন প্রতিবাদে রুখে দাড়ায়- তাকে বলে হিংসা !

দ্বিপদী

মিলন ছিল বড় আনন্দঘন পরিবেশে,  বিদায় মুহূর্তটাও হোক তৃপ্ত আবেশে ! 

ধর্মাধর্ম ।

ধর্মাধর্ম । ••••••••••       সকল ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে যেমন অনেক অনেক উত্তম মনুষ্য সক্রিয় এবং ক্রিয়াশীল বিদ্যমান থাকে, তেমনি অবস্থান করে বহু সংখ্যক চোর বদমাইশ বলাৎকারি তথা অত্যাচারি নপুংসক ও।       কোনো ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিন্তু এসব অপকর্মের শিক্ষা দেয় না বা প্রচার প্রসার করে না। তথাপি দেখা যায় এই চোর বদমাইশ লম্পটরা অন্য ধর্মাবলম্বী অপকর্মকারিদের অপকর্ম নিয়ে প্রবলভাবে সোচ্চার হয়ে থাকে। কিন্তু নিজেদের কর্মপন্থার পুনর্বিবেচনার আবশ্যকতা বোধ করে না! এবং তার চাইতে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো এসব দুষ্কর্মী নষ্টদের প্রভাবে অনেক এমন মানুষও প্রভাবান্বিত হয়ে পড়ে যাদের বিবেকবান জ্ঞানী গুণী বলে সমাজে পরিচিতি রয়েছে। রয়েছে যথেষ্ট বিদ্যা শিক্ষা এবং ডিগ্রি ও। এবং আশ্চর্যজনকভাবে বহুক্ষেত্রে এসব নষ্ট মানুষও শাসনকার্যে নিয়োজিত হয়ে থাকে- সেইসব শিক্ষিত গুণীজনদের উপর!       আপাতদৃষ্টিতে রূঢ়-রুক্ষ মনে হলেও খোলা চোখকান নিয়ে যাচাই করলে আমাদের পারিপার্শ্বিকতায় আমরা কি দেখতে পাই ? ওইসব আদর্শ বিচ্যুতরাই ক্ষমতাধর, প্রভাবশালী নয় কি ? আ...

দ্বিপদী

শাখা থেকে যখন ছিন্ন করা হলো- বলেছিলো ক্ষোভে প্রস্ফুটিত ফুল:  সুন্দর সুবাসিত কুসুমিত হওয়াটাও আজকাল হয়তোবা ভুল !

দ্বিপদী

একাকি যে চলে, চলতে পারে অবশ্যই ক্ষীপ্র গতি,   বহুদূর সে ই পারে চলতে- চলে যে বহুজনে করে সাথী ।

অনুসন্ধান

 *  অনুসন্ধান । *                          -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                আঁধার বড় প্রিয় মনে হয় মাঝে মাঝে     অশ্রুর জন্যে চাই একটি নিরালা দ্বীপ,     যার হৃদপিণ্ডে লুক্কায়িত রয়ে যায়   অনেকগুলো ক্ষত,    অক্সিজেন শূন্যতায় ছটফটায় অনাদরে !  কবিতারা জন্ম নেয় সোফার এক কোনায়   খুনসুটি করে তুলে আনে    দ্বীপবাসি সেই বিবাগিকে,   এরপর লুকোচুরি !  ভাল্লাগেনা !  তবু পিছু ছাড়ে না।  জীবনের তলানীতে পৌঁছে যাবার পর    নতুন প্রেমের সঞ্চার    অর্ধশতাব্দীর লক্ষণরেখায়    নবীন আলপনা আঁকা,     হাতড়ে দেখি কবিতার জায়গাটা    আজও ভীষন ফাঁকা !                             ২১-০১-২১ 

RELIANCE (POEM)

      * RELIANCE. *                      -AF  EKBAL.         UNCERTAINTY CONFLICT AND FRUSTRATIONS       ARE THE PART OF LIFE- THOUGH WE KNOW,     STEALTHILY YET BECOME WE THE PREY      AND HOPELESSLY BEFORE THEM DO BOW ! WHY NOT WE CULTIVATE OPTIMISM   IN DELICATE AND SUBSTANTIVE WAY,     THE WORDS AND DEEDS OF THE BLESSED PEOPLE      CAN RIGHTLY INFLUENCE OUR SWAY .   LET'S DEVELOP OUR FAITH TO IT'S PEAK, R   LET'S EXCHANGE THE SETBACKS WITH FOSTER,    RELY ON RESILIENCE DESPITE  STUMBLES-    LET'S RE-ARRANGE OUR POSITIVE ROSTER.                               21-01-21 

চারপদী

অদ্ভুত পরিদৃশ্য মাঝে করছি মোরা বিরাজ,  অন্ধ দেখাচ্ছে পথ শুনছে কালা ধ্যানস্থ হয়ে আজ !  বোবা গাইছে গান সুর ধরে ধা-ধিনা-ধিন,  এরই মাঝে দেখছি মোরা আসছে সুদিন !

হুঁশিয়ারি (কবিতা)

*  হুঁশিয়ারি ! *                    -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  কখন কে কোথায় করলো আঘাত  কে রাখে নিবদ্ধ করে সেই ধারাপাত,  গিজগিজ করে কোথাও হীরা মোতি পান্না  আড়ালে যার লুকিয়ে রয় কত দমিতের কান্না !  গড়েছো তব বর্তমান অজস্রের ছিনিয়ে ভবিষ্যত,  মনে রেখো এদের অভিশাপে একদা রূদ্ধ হবে তব পথ!       চলছে যেমন চলে যাবে নিপীড়িতের জীবন ধারা,  বঞ্চিত যখন জাগবে প্রতিরোধে হতে হবে তোমায় সর্বহারা !                                ১৭-০১-২০২১ 

MY CONFESSION . (POEM)

  * MY CONFESSION . *                            -AF  EKBAL.                             I know myself a little  And all my shortcomings,  So I can't plan to play  In life a long innings .  I see the clouds in sky  How covers the shiny sun,  Never measure my success  With the tasks done or undone.  Don't wish to console myself  That having a heartful beauty,  Yes, try to guard always  That my conscience never be guilty.  Try to balance with ever  Between thoughts and mind,   Never diplore, but learn  From the period left behind.                                       17-01-2021. 

দ্বিপদী

অবকাশ কভু পেলে সখা খুলে দেখো নিমগ্ন হয়ে ইতিহাসের পাতা,  কথায় কর্মে যেখানে যখন ঘটেছে স্খলন খুলে গেছে ইনকিলাবের খাতা !

CAN'T WE .... ! (POEM)

  * CAN'T WE .... ! *                         -AF  EKBAL.             Me, not the master  Nor the artisan   Of my breathing,  Yet can cherish the life  With all it's worths  And with feelings.  What's or if anything in me-  Is the blessings of the Almighty,  So should I step right or left  Front or behind  With the vision crystal clear,  Within the jurisdiction  Bounded by the guide   And the preacher.  I can walk or stay  I can run or play  Can moan or fluently say-  Given the opportunity  But shall have to explain  In long run before the sway !   Can't I resist myself  From the slavery of ego  From the persuit of vile-  Forgiving all- leap   Towards the way  Of forgiveness-  On the way of piety and mercy  !    ...

WORDS. (POEM)

  *  WORDS. *                     -AF  EKBAL. Some words are so healing  Bolder than antibiotics,  Some words-  Those can free up the minds  From all bondings,  Can dig the new spring  Of hope and impetus !  Some words-  Yes, the little words-  How can frame  The vision and mission  Can gear up the ambitions  With zeal and enthusiasm ! Yet some words  Can hurt the hearts  And breakdown the walls  Encorded to the bondage  Of unity and mingling !  It's you and your tongue  Your thoughts and mind  Your utterings and partiality  Is the sign of your mind  And of your identity .                        17-01-2021 

PROMISE OF ASPIRATIONS.

PROMISE OF ASPIRATIONS. *                                      -AF  EKBAL.                                      When you are bored of with your surroundings,  When you are loosing your spirit and spur-  Just raise your trust on yourself,  Setting aside all the doubts and blame,  Inflame your inner light to burn your heart-  So that only golder glitters   Evacuating the all the dirts !  Lies can enclose you   And pour your ambitions,  Hatreds may pursue  To ruin your commitments;  Still you are to dream  And plan your promising aims-  That only can aid to avert  All the probable disasters !  You are to hear and bear the hard truhts,  You are to test even some sour fruits,   You are to breath a...

উদ্দীপনা নিয়ে দুটি কথা ।

উদ্দীপনা যেমন জীবনের পথপ্রদর্শক, দ্বিধাদ্বন্দ্ব তেমনি প্রতিবন্ধক।  উদ্দীপনাই সেই টনিক যা সকল হতাশার মোকাবেলা করতে পারে। জীবনে হারিয়ে যায় তারাই যারা বিকল্প অনুসন্ধানে ব্রতী হতে পারেনা বা জানেনা।  জীবন হামেশাই যে কুসুম শয্যা হয়ে রইবে, তা তো হতেই পারেনা। প্রত্যেক জ্যান্ত মানুষের জীবনে যেমন আসবে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য সমৃদ্ধির লহর, তেমনি রইবে বঞ্চনা প্রবঞ্চনা ঘাত প্রতিঘাতের 'কহর' ! এই দুইয়ের মধ্যে যথাসাধ্য সামঞ্জস্য বিধান করেই এগিয়ে যেতে হয়। একটি পথের কোথাও শেষ হয়ে গেছে দেখেই নিঃসাড় হয়ে বসে থাকা মানেই জীবনকে জালের মধ্যে জড়িয়ে ফেলা। এবং হতাশ হতোদ্যমরাই কেবল এভাবে নিশ্চল বদ্ধ হয়ে আটকা পড়ে থাকে।  কিন্তু প্রকৃতার্থে জ্যান্ত তারাই যারা প্রত্যেক প্রতিবন্ধকতায় বিকল্প সন্ধান করতে জানে। একটি রাস্তা শেষ হয়ে গেছে তার মানে এই নয় যে জীবনের গতি নিঃশেষিত হয়ে যাবে। অন্তত তিনটে বিকল্প রয়ে যায় এরকম পরিস্থিতিতে। -বিকল্প রাস্তার সন্ধান করা যেতে পারে, নিজে থেকে নতুন রাস্তা তৈরি করা যেতে পারে, নতুবা গাড্ডায় পড়ে থেকে নিজেকে নিঃশেষিত করে ফেলা। কিন্তু কোনো সচেতন ব্যক্তিই পছন্দ করবেনা ত...

ছোট কবিতা

সামনে পড়েছে যদি এক নদী,  পার তারে করতে চাও যদি-  ঝাঁপ দিতে হবে হিম্মত করে তাতে;  স্রোতের প্রচণ্ড উত্তাল টানে  ঢেউয়ের টলমল শাসনে  লড়ে লড়ে তবেই পৌঁছাবে পারে নবীন প্রভাতে!  হ্রস্বতর ধাতুর পুল ধরে   পেরিয়ে গিয়েছো যদি ওপারে   বলোনা তখন পেরিয়ে এসেছো নদী,  জীবনের যত দায়ভার  ভিন্ন ভিন্ন স্বরূপ তার   বিজয় আসবে তখন চ্যালেঞ্জ নিয়েছো যদি !

চারপদী

কালের বুকে হয় কালের অন্ত   কাল গড়ে ফের নবীন দিগন্ত,   কালের কাঠগড়ায় সবাই জবাবদিহি মোরা,  কালের কোলে অনুকূল-প্রতিকূলে  কালের কুসুম হিল্লোলে দোলে,  নিতে হবে তুলে আশির্বাদ যত বিশ্বভরা !

দ্বিপদী

ধোঁকাগুলো সাধারণত লালসার পরিণাম !  ভুলের মাশুল অধিকাংশ দূর্নাম । 

সম্বন্ধ আবশ্যক কেন?

সম্বন্ধ আবশ্যক কেন ?      কোনো অদ্ভুত বিষয় নয়তো ?      হ্যাঁ, সম্বন্ধের আবহে বসবাস মানুষের জন্য আবশ্যক কেন ?     আবশ্যক এজন্য যে- একা একা আপনি কিছু আওড়াতে পারেন- মনে মনে, গপসপ করত পারেন না।     আবশ্যক এজন্য যে একা একা আপনি কিছু ভাবতে পারেন- পরামর্শ করতে পারেন না ।     আবশ্যক এজন্য যে একা একা আপনি আনন্দিত হতে পারেন- উৎসব করতে পারেন না।     আবশ্যক এজন্য যে একা একা আপনি কর্ম করতে পারেন- কোনো প্রতিযোগিতা করতে পারেন না।     আবশ্যক এজন্য যে একা একা আপনি হাসতে পারেন- কিন্তু হর্ষোল্লাস করতে পারেন না ।      আবশ্যক এজন্য যে একা আপনি বিলাপ করতে পারেন- বিনোদন নয়।    আবশ্যক এজন্য যে একা আপনি মরতে পারেন- কিন্তু সমাহিত হতে পারেন না।     সম্বন্ধ সম্পর্ক বজায় রেখে চলার এটাই সৌন্দর্য এবং আবশ্যকতা। 

দ্বিপদী

কত কিছু দেখি কত কিছু শিখি রহস্যময় এই ভবে,  বিকোয় স্মিত হাস্য নফরতের বাজারে- অতি সুলভে !  

MY REFUGE (POEM)

  * MY REFUGE *                  -AF  EKBAL. THROUGH THE TOUR OF LIFE    SO MANY DECISIONS    HAVE TO BE MADE,      TO  CAST THE PAIN      TO ENJOY THE JOY.       EMOTIONS BRING OF DILEMMA    TRY TO OVERTAKE    THE PATIENCE  AND TO DARKEN    THE CONFIDENCE.  AT TIMES, WHEN    LIFE GETTING ME DOWN-    FEEL SCARCITY OF LOVE   HOPE AND WAY;    IT SEEMS-    LIFE HAS NO MEANING,    DISAPPOINTMENTS OUTCAST   ALL FEELINGS.  AT SUCH A TIME-    NEED SOMEONE    TO STAND BY    TO GIVE A FOUNDATION    WITH COURAGE    AND PROPER DIRECTION,    AND FIND FINALLY   NONE BUT ALLAH-    THE ALMIGHTY !    MY ULTIMATE SHELTER AND REFUSE.            ...

ভাবনা সমকালীন

মনে নেই কার লেখা এবং কোথায় পড়েছিলাম একটি কবিতার দুটি লাইন-         "আপাতত নিম্নগামী হলেও তাকে তুমি বাধা দিওনা,         সমাজের অকল্যাণ হবে"!               কথাগুলোর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এক অদ্ভুত অনুভব। আপাত দৃষ্টিতে যা পরিদৃশ্য, সবসময় তা ই সত্য নয়। ধরুন, নিদ্রামগ্ন কাউকে দেখেই বললেন- মানুষটি ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্তু সে যে নিছক ঘুমিয়েই আছে, তা নাও হতে পারে। হতে পারে মানুষটি পরবর্তী মহৎ কর্মের জন্য নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করছে।         আমাদের দেশে প্রচলিত এক পৌরাণিক কাব্যিক চরিত্র আছে, যার চর্বন হয়ে থাকে সাধারণত অলস মানুষের ক্ষেত্রে। কুম্ভকর্ণের নিদ্রা। হ্যাঁ, কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ছিল অদ্ভুত ধরনের। যখন ঘুমোতো, ঘুমিয়েই থাকতো- নাগাড়ে! সহস্র হস্তী তার উপর দিয়ে অতিক্রমণ না করা পর্যন্ত তার ঘুম ভাঙতো না! কিন্তু কুম্ভকর্ণ চরিত্রের যে দিকটি আলোচনায় আসেনা, তা হলো নিদ্রাভঙ্গের পর তার বৈপ্লবিক বীরত্বের কথা। লঙ্কাধিপতি রাবণের কাছে দেশের সেরা সেনাবাহিনীর তেজস্বিতা প্রয়োগের পরও যখন লঙ্...

আজকের ভাবনা

মানবদেহের উচ্চতা মাপা যায় ফিতা দিয়ে, কিন্তু মননের উচ্চতা পরিস্ফুট হয় ব্যক্তির চিন্তাধারা, অভিব্যক্তি ও কাজকর্ম দিয়ে। মাঠে নেমে দক্ষতার সাথে কর্মীরা কাজ তখনই করতে পারে যখন তাদের পেছনে, পর্দার আড়ালে সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। উদাহরণ স্বরূপ রাজনীতি বিজ্ঞানের যত গৃহীত সুত্র, ফর্মুলা বা থিয়োরি রয়েছে, তার সিংহভাগই অরাজনৈতিক ফিলোসফারদের দ্বারা বিরচিত- যাদের প্রত্যক্ষ রাজনীতির সাথে কোনো সম্বন্ধ ছিল না।  ঠিক সেভাবে আইনশাস্ত্রের সকল প্রণেতাই যে ব্যবহারজীবি বা ন্যায়াধীশ ছিলেন, তা ও নয়। তাই আপনার সেই বাহানা গ্রহণযোগ্য নয় যে প্রেক্টিক্যাল ফিল্ডে নেমে কাজ করা যেহেতু আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়, অতএব আমি পঙ্গু, আমার দায়ভার নেয়ার মতো আর কিছু নেই।  আপনার মধ্যে, আপনার চিন্তাধারা, আপনার মননের মধ্যে যতসব ধনাত্মক ভাবধারা টগবগ করছে, তা আপনার বিবেকের আমানত। আপনার জ্ঞানগরিমার ব্যাজ। তার উপর ঢাকনা ঢেলে রাখা মানেই সম্পদের অপচয়। আপনার বিবেক কিভাবে এধরনের অপচয়ের অংশীদার হতে শেখায়?  সুতরাং আসুন, দায়ভার পালন করে যাই নিজ নিজ অবস্থানে থেকেই ।        (জনৈক বিদ...

দ্বিপদী

দেহের প্রতাপ বহাল ততোক্ষন খাড়া যতক্ষণ মেরুদণ্ডের উপর আছো খাড়া,  দেশের অহমিকা অক্ষত রয় মজবুত যতক্ষণ কৃষকের শিরদাঁড়া ! 

দ্বিপদী

খাড়া যদি হবে হোক এমন তা- সিঁড়িও হয় শরমিন্দা,  আনত হবে যখন- হোক তা হোক সেজদাবনত বিনয়ী বান্দা ! 

চারপদী

ভুলে গেছি মোরা পথ সরে গেছি লক্ষ্য হতে দূর,   দায়ভার ভুলে আত্মমগ্ন হয়ে ভাবছি নিজেরে বড্ড চতুর!  দুনিয়া খেতের মাঠ- করতে হবে হেথা মৌসুমের কৃষিকর্ম,  সৃষ্টির সাথে স্রষ্টার সম্বন্ধ বহাল করতে পারাই যে মানবধর্ম !

চারপদী

হলোনা দেশের হাল আজও যেমন হবার ছিলো,  হলোটা যেমন- কাম্য তেমন কভু নাহি ছিলো!  দাঙ্গা হাঙ্গামায় প্রতিবার মরে হায় সেই লোকগুলো-  দাঙ্গার সাথে যাদের কোনো যুগসুত্রই নাহি ছিলো !

চারপদী

হৃদয়ের সাথে কারো হোক নাহোক মিলন,  আপন চিত্তের সাথে মিশে চলার করে নিই পণ।  কে দিয়েছে কতটা সঙ্গ- বড় কথা সেটা নয়,  আপন বিবেকের সঙ্গ পাওয়া ভীষন তৃপ্তিময়।  জীবনের দাগ জানিনা কতদূর হবে বিদূরিত,  জীবনের মাঝে জীবন আজও হলোনা প্রস্ফুটিত !  

দ্বিপদী

মেকাপ করে করে আয়নাকে দিয়ে চলেছি ধোঁকা,  মেডআপ হলাম না আজও নিরেট গা'ফিল বোকা !

দ্বিপদী

সৌন্দর্যের সৌখিন আমি, খুঁজে ফিরি সুন্দর চেহারা অবয়ব প্রতিবেশ,  সন্ধান করিনি কখনো নিজের মধ্যে কি রয়েছে সৌন্দর্যের কোনো লেশ !

ভাবনা সমকালীন

ভাবনা সমকালীন ।                           জানি আমি বাঙালি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলায় আমার স্বপ্ন দেখা, বাংলায় ব্যক্ত করি আশা আকাঙ্খা, কামনা বাসনা, দুঃখ বেদনা- সবকিছু। কিন্তু মনের কথা, হৃদয়ের অনুভব প্রকাশ করতে গিয়ে, অনুভূতিকে যথার্থ ভাবে ব্যক্ত করতে গিয়ে যদি অন্য ভাষার শব্দ সম্ভার থেকে কিছু শব্দ ধার নিতে হয়, বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কিছু শব্দ ভিন্ন ভাষার শব্দভাণ্ডার থেকে সংমিশ্রিত হয়ে পড়ে, তাতে তেমন দোষের কিছু নেই বলে মনে করি।        আরেকটি কথা- আজকের এই বৈশ্বিকরণের যুগে পুরো জগতটা যখন গ্লোবাল ভিলেজ হিসেবে পরিগণিত, তখন পারস্পরিক প্রভাব থেকে কেউ কাউকে উপেক্ষা করতে পারে না। সুতরাং মনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে একান্তই কোনো গণ্ডির মধ্যে অবস্থান যেমন সম্ভব নয়, তেমনি কাঙ্ক্ষিত বা কাম্য নয় বলে আমার ধারণা।        এ তো হলো আমাদের সমকাল বা সমসাময়িক চেতনা। তারপর যখন উত্তর প্রজন্মের কথা আসে, তারা যে আরেক কদম প্রাগ্রসর হবে, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের যে একেবারে স্রো...

দ্বিপদী

মেকাপ করে করে আয়নাকে দিয়ে চলেছি ধোঁকা,  মেডআপ হলাম না আজও নিরেট গা'ফিল বোকা !

Couplet

Darkness is not lightlessness,  Rather it's senselessness, When sense is active and alive,  From depth of darkness enlightenment can derive! 

দ্বিপদী

ধর্মে জাতির নামে আর হোকনা ভাগাভাগি,  বঞ্চনা শোষনের আর না হোক মাখামাখি !  সাম্য-ঐক্য সম্প্রীতির বয়ে চলুক লহর,  সকলের তরে সুখময় হোক ২০২১ বছর !

INVOCATION. (POEM)

   *  INVOCATION . *                  -AF EKBAL.  Fight for the right  Why for the passion vain,  Aspirations may inspire  But peace is the greatest gain.  One may be twisted  Through lies and imposition,   Heroic and effective task  Is giving someone due position.  Brain and thinking is given  For wise and judicious use,  Remained engaged in others-  Not ignoring your dues ? Let's run for the virtues  Leaving the silly sense,  Strive for the innocence  To get rid of all tense !                      08-01-2021 

দ্বিপদী

কলম মর্যাদাশীল যতক্ষণ দেখেনা জাতি ধর্ম, লিখে নিরপেক্ষ,  সেই কলম হারায় ধরম যখন ডগায় তার ভর করে কোনো পক্ষ !

দ্বিপদী

ভেসে ওঠে হরেক মৃত্যু পথযাত্রীর চোখে থাকি থাকি,  দু-চারটে স্বপ্ন কিঞ্চিত কামনা বাসনা রয়ে আছে বাকি !

একটি অনুধাবন ।

একটি অনুধাবন । (একান্ত ব্যক্তিগত) ।       আপনি গাড়ির মালিক। তাই কিন্তু আপনার খুশি মতো গাড়ি চালানোর অধিকার হয়ে যায় না। কারণ যে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন, সেটি আপনার ব্যক্তিগত নয়, বরং সার্বজনীন।       ঠিক সেভাবেই, শরীর আপনার। তাই এই শরীর নিয়ে যেমন খুশি সাজ পোশাক পরে আপনি সমাজে চলাফেরা করতে পারেন না। কেননা আপনি এক সার্বজনীন সমাজের সদস্য।       আপনার ব্যক্তিগত পরিসরে আপনার গাড়ি যেমন খুশি চালান, তাতে কারো আপত্তির কিছু নেই। একইভাবে নিজের পরিসরে যা খুশি পরে থাকুন- চাইলে অর্ধনগ্ন ও! কিন্তু যখনই সার্বজনীন রোডে বা স্থানে অবস্থান করবেন, সামাজিক ব্যবস্থাপনা আপনাকে মেনে চলতেই হবে।       এভাবে খাবার আপনি কেবল নিজের জন্য তৈরি করছেন, যা খুশি বানিয়ে খেয়ে নিন, কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু যখন তা পুরো পরিবারের জন্য তৈরি হচ্ছে, আবশ্যক মতো নিজের রুচির সাথে আপোষ করতেই হবে। সকলের সাধারণ রুচিকে তখন মান্যতা দেওয়া নিতান্তই এক সামাজিক দায়বদ্ধতা।       প্রাসঙ্গিকভাবে বলি, ছেলেদের হোক অথবা মেয়েদের, পোষাক...

পিতৃ আকুতি

  * পিতৃ আকুতি। *                          -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  পারি কি ভুলিতে আনন্দ বেদনায় ভরপুর এই দিন,  মহান দায়িত্ব এক পালন করতে পেরেছিলাম যেদিন !  পেয়েছিলেন আল্লাহর পক্ষ হতে অপূর্ব এক নিয়ামত,  নিজ ঠিকানায় দিয়েছিলাম পৌঁছে তারে সহি সালামত!  জানে বাপের কলিজা মায়ের অন্তর কত ক্লেশময় সে দায়,  আজন্ম লালন করে করতে হয় তারে নিজ হাতে বিদায় !  কন্যারতন বড় আবেগের ধন, ছাড়তে তারে হয় গড়তে আপন নীড়,  করুন সেই ক্ষণে শত স্মৃতি করে আসি নিরুদ্দেশ ভীড় !  চারটি বছর কেটে গেলো শীঘগির এতো- মনে পড়ে এইতো সেদিন,  ছিল সে ঘরের হীরে- চমকে সারা ঘর রাখতো রঙীন !   যেখানে রয়েছো মামনি আমার, থাকো সুখে সদা,  সঙ্গে আছে দোয়া আমাদের, আছে অবশ্যই রাহমাতে খোদা।                          ০৮-০১-২০২১ 

চারপদী

দেশের নাগরিক সবই- তুমি হিন্দু আমি মুসলমান,  স্থিতি আজ হয়েছে এমন- তুমি আমি দুইই পেরেশান !  তোমার বাচ্চা অভুক্ত যেমন, আমার বাচ্চাও তাই,  খুঁজে দেখি এবার তোমাতে আমাতে তারতম্য কি ভাই ?  হ্যাঁ, মন্দির তব শানদার খুব- আমার মসজিদও আলিশান,  বলি তাই এসো ভাই বসি পাশাপাশি ছেড়ে অভিমান !!

দ্বিপদী

রামের মন্দিরে নিষ্পেষিতা 'সীতা',  এমনি করে বুঝি লেখা হবে নবীন রামরাজ্য গাঁথা !

Let's Think . (POEM)

*  LET'S THINK . *                     -AF  EKBAL.                       After crossing near about six decades-       Think 'have lived enough to know    That I don't know enough      Of life and it's ecstasy and agony.  Enriched whom in abundance    Want more-    And is from the devastated poor !    A few hands only ahead    In prayers and bestowal !   Who will build the bridge     To connect both the edges ?    Who will enflesh the rips    To reach the hearts those are reft?   Regret- I couldn't even prepare myself !  What I know a little-     More love and fancy    Can overturn all the discrepancies.   Let's think and rethink-    Can't we move forth    In ampl...

Couplet .

Think, what is wider- brain or the sky,  A single word of love or an ocean of lie ?

মজারু

মজারু !      গুণী মানুষের সাথে কথাবার্তা বললে শেখা যায় অনেক কিছু ।  সেদিন কথা হচ্ছিল পণ্ডিত স্যারের সঙ্গে। কথায় কথায় উনি এক উস্তাদ শাগরেদের গল্প বললেন।      এক আগ্রহী ছাত্র প্রাইভেট টিউটর স্যারের কাছে খুব ফ্রি। তার মনে যেকোনো প্রশ্নের উদ্রেক হলেই সরাসরি তার উত্তর জানতে চায় স্যারের কাছে।      একদিন স্যারকে জিজ্ঞেস করলো- স্যার, 'আমি মাঝেমাঝে মাংস খাই' কথাটির ইংরেজি ট্রান্সলেশন কি হবে ?       -দুত্তর বুড়বক কোথাকার, এই সহজ বাক্যটির ইংরেজি ট্রান্সলেশনও বুঝি জানিসনা ! নোট করে নেয় খাতায়, 'আমি মাঝেমাঝে মাংস খাই'- ট্রান্সলেশন হলো-   'I eat middle middle meat' !

দ্বিপদী

জানিনা কখন কোন ঘাটে চরণ যুগল হয়ে পড়ে আকীর্ণ, এক এক শ্বাস করে তুলছে এই দেহকে পুরাতন জরাজীর্ণ !

সমসাময়িক। ( কবিতা)

   সমসাময়িক... !                -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                 কৃষকেরা নিয়েছে শপথ  চলবে তাদের ট্রেক্টর রথ  রাজপথে দেখাবে যত কলাকৌশল,  ট্রেক্টরই কামান তাদের  ট্রেক্টরে এবার ধ্যান দেশের  ট্রেক্টরই বুঝি বদলাবে দেশের হাল !  রাজপথে দেখেছি প্রজাতন্ত্র  রাজপথ করেছে রক্ষা গণতন্ত্র  রাজপথে সদা  উদ্ভাসিত দেশের শান,  রাজপথে বুঝি দেখবো এবার  ট্রেক্টরের কারসাজি শানদার  কৃষকের হাতে দ্বীপ্ত হবে প্রজাতন্ত্রের মান ?  জেনে গেছে কৃষক এবার  সইতে জল কামানের প্রহার  কেন্দুয়া গ্যাস আর পারেনা কাঁদাতে তাদের,  হোক ফের জালিয়ানওয়ালা বাগ   জ্বলুক শাসকের বিদ্বেষ আগ  থামাবে সাধ্য কার ওই দেশপ্রেমিদের !  হবে কিছু একটা এবার  ইসপার অথবা উসপার  বিজয় কৃষকের অবধারিত নিশ্চিত,  কৃষক দেশের যোগায় অন্ন  আজ তারা হচ্ছে হেয় প্রতিপন্ন  দেশবাসী তাদের পাশে রয়েছে স্থিত।           ...

মতিভ্রম (কবিতা)

* মতিভ্রম। *                  -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ শব্দগুলো জমা হয় হৃদপিন্ডে    নিস্তব্ধ নির্জনতায়,   কিন্তু ঠাঁই পায় না সেই একাকীত্বে   ছটফটায়, ডানা ঝাপটায়   অবশেষে উড়ান ভরে   কখনো আবহাওয়ার গতিবেগ মেপে   কখনো তা ভুলে যায় !  হৃদয়ের আবেগ মর্মমুখরিত হয়ে    ছুটে যেতে চায় আকাশ নীলিমায়   কিছু হারিয়ে যায় দলছুট উল্কার মতো     গুটিকয়েক ঠাঁই পায় প্রকৃতির বুকে     চৈতন্য আবেশে      অবশেষে তাদের দেখা মেলে   প্রত্যন্ত দিগন্ত-রেখায়     সুনীল সুষমায়।  উন্মাতাল দিবসের শেষে    পাদুটো যখন ক্রমশ হিম হয়ে আসে    শব্দ স্ফুরণে নীরবতার পালা    অন্তর্বৃত্ত অব্যাহত কিছু অনুসন্ধান     ভুলে ভরা কিছু ডায়েরি    জীবনের কিছু পাংশু খাতা     আর অপসৃত করুন সন্তাপ সমাহার।                ...

দ্বিপদী

তাকায় না গর্বে পাতালের দিকে সূর্যমুখী- সূর্যের পানে চেয়ে চেয়ে শুধু হাসে,   ‌ নিংড়ে নিংড়ে বেরোয় তেল- তার বিচিরে যখন ঘানিতে ফেলে পিষে !

দ্বিপদী

আদাব শালীনতা ভব্যতা- সদর্থক গুণাবলি নিশ্চিত চিরন্তন,   কিন্তু কখনো তা ঢাকা পড়ে যায় বরফের চাদর-তলায়;  চুপটি মেরে থাকাও নির্ঝঞ্ঝাট বটে- করে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান,  ততোধিক উত্তম কিন্তু চিৎকার করে জ্ঞাত করা অভিযোগ অন্যায় !

দ্বিপদী

কিছু মূহুর্ত কখনো গড়ে দেয় জীবনের স্বার্থকতা,  অন্যথায় যাচ্ছেই তো চলে জীবন এমনিই বেহুদা বৃথা ! 

দ্বিপদী

অর্জন জীবনে হোকনা যা ই, উদ্দীপনার চেয়ে বড়ো কিছু নাই;  এইটুকু বুঝি শুধু- জেতেনি কেউ কোনোদিন না করে লড়াই ! 

চৈতন্য

                *  চৈতন্য । *                      -আ,ফ,ম,  ইকবাল ॥  এই মিম্বর যত হচ্ছে ছিমছাম চাকচিক্যময়,  নেমে আসছে উম্মতের মাঝে ততো ক্ষয় !  ছিল যখন তা মাটি পাথরের উপর খাড়া,  দিয়েছিল উম্মাহ মানবতার তরে সাড়া !  খুতবাহ-র নামে আজ শুধু হয় তিলাওয়াত,  জেগে উঠেনা তাই হেথা হতে কর্মের শপথ!  মেহরাব মিম্বর ছিল সাড়া জাগানোর তরে,  মিম্বরের খুতবাকালে আজ উত্তম ঘুম ধরে!  নাই সে ঈমাম, খাত্তাবি ঈমান আর বাকি,  থেঁতো হয়ে উম্মত করছে বিলাপ মুখ ঢাকি !  মেহরাব যখন ভাঙবে নিদ্রা মিম্বরের ফিরবে চৈতন্য,  উম্মাহ ফের খলিফার স্তরে হবে জগতে গণ্য !

দ্বিপদী

মনে রেখো বাটার-রুটি দিয়ে যারা পুর্তি করে ভুরি,  হাতে  ধরে  রয়  তারা  ভীষন  ধারালো  ছুরি !

দ্বিপদী

কারো নিজের ত্রুটির শুকরিয়া আদায়,  এই সে শক্তি যা তোমারে মজবুত বানায় ! 

দ্বিপদী

মেঠোপথে নিত্য চলে যারা আজ- পড়ছে থুবড়ে মুখ,  গগনে বেড়ায় উড়ে যারা বগলে তাদের সকল সুখ !

নববর্ষের অনুভূতি।

নববর্ষের এই লগ্নে শেয়ার করে নিই কিছু অনুভূতি।  একটি আঘাত ছুড়ে দেয়া হয়, যখন কেউ বলে- তামাশা করছিলাম!  একটি অভিঘাত লেগে রয়, যখন কেউ বলে-  কিছু যায় আসেনা!  একটি বেদনা চাপা পড়ে রয়, যখন কেউ বলে- ঠিক আছে তাহলে!  একটি গভীর কথা আড়াল হয়ে পড়ে, যখন কেউ বলে- ঠিক জানিনা !  হৃদয়ের একটি ভার লুকিয়ে থাকে, যখন কেউ বলে- আমাকে একা ছেড়ে দাও!  আবেগের একটি সমুদ্র আবৃত রয়, যখন কেউ চুপ হয়ে থাকে !  তাই বলি:  খুলে রাখো সুহৃদের সাথে হৃদয়ের দ্বার,  ধারতে হবেনা কভু হার্ট সার্জারির ধার !                       ০১-০১-২০২১ 

গপসপ

আজকের গপসপ।        মাটির উর্বরা শক্তি ফসল উৎপাদনের তারতম্যের কারণ হয়, একথা আমরা খুব ভালো করেই জানি। কোনো জায়গার মাটি যথেষ্ট উর্বর হলে সেখানে ফলফসল, গাছপালা, বৃক্ষলতা সবকিছুই কাঙ্ক্ষিত রূপে ভালো হয়ই, এমনকি কিছু জায়গা পরিত্যক্ত খালি পড়ে থাকলে স্থানিক উর্বরতার জন্য আগাছা গুলোও সেখানে খুব তাগড়া হয়ে চারদিক ছেয়ে ফেলতে উদ্যত হয়।         আমার একটি ধারণা- মানবিক ফলনশীলতার ক্ষেত্রেও স্থানিক পারিপার্শ্বিকতা অনেকটা কার্যকর হয়ে থাকে। ভূমির তারতম্যের মতোই কিছু কিছু এলাকায় কল্পনাতীত ভাবে অনেক উঁচু স্তরের মানুষ উঠে আসেন, বাহ্যিক পরিদৃশ্যে অনুকূল পরিবেশ অবিহনেও। তাঁরা কেবল সংশ্লিষ্ট এলাকা বা অঞ্চলই নয়, বরং বৃহত্তর জনপদকে গৌরবান্বিত এবং আলোকিত করে তুলেন।          এবং..... এবং সেই একই উর্বর অঞ্চলে এমন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত আগাছাও উৎপাদিত হয়, যা একইভাবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল ছাড়িয়ে বৃহত্তর জনপদকে কলুষিত এবং কলঙ্কিত করে তোলার কারক হয়ে উঠে!        আমাদের গৃহজেলার এমন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল রয়েছে, যেখান থেকে চার পাঁ...