Posts

Showing posts from February, 2021

Couplet

It's you- the size of your dreams are,  Glamour of your garden depends on your care ! 

Couplet

Wastage of a dawn is the wastage of an epoch,  Can take the advantage of- or slothfully poke !  

চারপদী

কে জানে কখন জীবন পাল্টায় তার রূপ-ধারা আত্মগর্বে ভাই হয়োনা তাই কভু পাগলপারা !  পেরিয়ে এসেছো হয়তো সাফল্যের বহু দ্বার,  হয়োনা পথভ্রষ্ট- হাতছানি সদা দিচ্ছে যে পাপাচার ! 

couplet

If you are educated- use your Education in right direction,  Satan is enough to divide  The society in diverse fraction !

চারপদী

কোকিল কয় কথা আপন ভাষায়  মুক্ত সে উড়ে তাই জীবনভর,  বলে ময়না তোতা অপরের ভাষায় কথা  রয় তারা বন্দী তাই পিজ্ঞরের ভেতর!  বিশ্বাস ভরসা রেখো তাই  নিজের স্বাভিমান বিচারধারায়,  সত্যের পথে কাঠিন্য আসে  আখের সাধ্য কার তারে হারায় !!

ছুটির ঘন্টা। কবিতা

 *  ছুটির ঘন্টা । *                    -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                     এক প্রহরের ক্ষুদ্র এ জীবন  কেমন যেন বন্দী কারাগারে,  সত্যের ঘাড় হচ্ছে মটকানো  মিথ্যাচার দেদার বিকোচ্ছে বাজারে!  বাসনার হচ্ছে বেপার  রাজনীতির মুক্তাঙ্গনে,  ভ্রষ্ঠাচারের হচ্ছে প্রদর্শন  জনসংযোগের খোলা ময়দানে!  নফরত ইর্ষা যখন  হিংসা বিদ্বেষে পরিণত-  হাতড়ে বেড়াচ্ছি মোরা  মননের কোনখানে কতটুকু ক্ষত !  ফিরে চাই যবে আপনার পানে  পাই ডুবন্ত তরণীর এক পান্থ,  ছুটির ঘন্টা বাজলো বলে-  হে পথিক, হও আর ক্ষান্ত !  সাড়ে তিন হাতের ভুবনে এবার  করো নিরন্তর মনোনিবেশ,  কে জানে কখন উঠবে বেজে  ক্রীড়া অন্তের হুইসেল শেষমেশ !                             ২৮-০২-২০২১ ।

দ্বিপদী

মনুষ্য আখের করে অর্জন ঠিক ততোটাই-  আস্থা প্রত্যয়ের সাথে কামনা সাধনা করে যা ই !

চারপদী

জীবনের সাথি যদি কভু নিথর হয়ে যায়,  শতগুণ বেড়ে যায় তারে সামলানোর দায়!  আছে কিছু নপুংসক চরম স্বার্থপর দুনিয়ায়,  খোশহালে যত প্রেম- অকালে ফিরে নাহি চায়।

দ্বিপদী

দুটি বেলুন অন্তত সাহেব নিয়ে মোরে করো ধন্য,  তোমার সন্তান করবে খেলা, আমার সন্তানের জুটবে অন্ন!

Couplet .

If you want something- will find a way,  If you don't- will have an excuse on the sway ! 

ছোট গল্প।

অসাফল্যও কখনো হয়ে উঠে সাফল্যের সোপান ।     গল্প বলি- রাজকীয়। কোথায় কখন পড়েছিলাম সে আর মনে নেই। তাই যতটুকু সম্ভব স্মৃতি হাতড়ে।    পূর্ব দেশীয় এক রাজা বার্ধক্যে পৌঁছে ভাবছিলেন কে হওয়া উচিত তাঁর পরবর্তী উত্তরসূরি। পরিজনদের মধ্যে সেরকম যোগ্য কাউকে মনে হচ্ছিল না। তাই ভাবলেন দেশের উঠতি যুবক সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে সৎ এবং বিশ্বাসী কাউকে নির্বাচন করবেন তাঁর উত্তরসূরি। কিন্তু কিভাবে হবে সেই নির্বাচন?      একদিন দেশের সকল যুবাদের ডাকলেন রাজদরবারে। প্রত্যেকের হাতে দিলেন একটি করে বৃক্ষবীজ। বললেন- বীজটি রোপণ করে একবছর ধরে তারা তার পরিচর্যা করবেন। আগামী বছর এই দিনে সবাই নিয়ে আসবেন তাদের উৎপাদিত চারা গাছটি। সেই চারাগাছের ফলনের উপর ভিত্তি করে তাদের মধ্যে থেকে কেউ একজনকে মনোনীত করা হবে সাম্রাজ্যের পরবর্তী রাজা হিসেবে।     সবাই বীজ নিয়ে চলে গেলো নিজ নিজ ঘরে। শুরু হলো পরিচর্যা। মাস তিনেক পর দেখাদেখি শুরু হলো কার চারা কতোটা বেড়েছে। একটি ছেলে- ধরুন নাম তার অরুণ, অনেক যত্ন সহকারে বীজ বপন করে নিয়মিত জলটল ঢালছে, কিন্তু তার টবে কোনো চারার দেখ...

দ্বিপদী

ভীষন ব্যস্ত ছিলো সে আপন কর্মে-  ঝরছিলো দেহ জুড়ে ঘাম,  কান্নায় ভেঙে পড়লো যখন-  'কিছু খেয়েছো বাপু' জিজ্ঞেস করেছিলাম!

দ্বিপদী

বান্দাহ যে অন্যের কানে শুনে  দেখে অন্যের চোখে,  একদা সে হারিয়ে আপন সুর    অন্যের কথা বলতে থাকে ! 

সময়ের ভাবনা কবিতা।

* সময়ের ভাবনা। *                        -আ, ফ, ম, ইকবাল।। চলতে চলতে জীবনের পথে    এগিয়ে এসেছি বহুদূর,       হারিয়ে গেছে কতকিছুই      পেয়েছি অনেক আশীর্বাদ ভরপুর।   আফসোস লেগে রয় তবু কিছু      ছেয়ে যায় আকসার বিষণ্নতা,     মনে হয় নিজেকেই অচেনা কখনও    দেখা দেয় উদ্বেল উদাসীনতা !    ভুলে যাই আপন দায়ভার-    চাওয়া-পাওয়ার দণ্ডটি যে ছিল নিজেরই হাতে,       আত্মভোলা সেই আমি   পাইনা আপন সঙ্গ তাই সকল সন্ধ্যা প্রাতে।  জীবনটা কী তবে কেবল আত্মপ্রেমের তরে   আপন স্বার্থ বলয়ে?     ঘটেছে যতকিছু চারপাশে    দেখেশুনে রয়ে যাবো নিথর হয়ে ?   আত্মমুগ্ধ হয়ে খুঁজেছি আপন স্বার্থ কেবল   আপন খুশিরে করেছি সন্ধান,    আজ ভাবি নির্জনে বসে-   আত্মস্থ হয়ে করেছি শুধু নিজেরই অপমান।  এমন স্বার্থপরের জীবনও বুঝি হয়  ...

আমার বাংলা

 * আমার বাংলা । *                        -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥  বাংলায় আমার পরিচয় ভাই  বাংলা আমার অভিমান,  বাংলার আমি পড়ুয়া সদা  বাংলায় গাই হৃদয়ের গান ।  বাংলার আমি বিদ্যার্থী এক  বাংলায় লভি যৎকিঞ্চিত জ্ঞান,  বাংলায় আমার মায়ের পরিচয়  বাংলা আমার স্বাভিমান !  বাংলার আঁচলে আশ্রয় আমার  বাংলার কোলে বেড়ে ওঠা,  বাংলা আমার বর্ষার ছাতা  বাংলার কাননে দেখি ফুল ফোটা !  বাংলার কম্বলে উষ্ণতা লভি  বাংলার বসন্ত শীতের রাতে,  বাংলার ঘুম ভাঙে নিত্য   বাংলার বুলবুল শীশ দিলে প্রাতে !                           ২৫-০২-২০২১

দ্বিপদী

বের করেছি পিঠ হতে ঠিক ততোটি ছুরি,  লাগিয়েছিলাম যতজনে বক্ষে টেনে পুরোপুরি !

দ্বিপদী

ক্ষমতাধর হলে তার মিথ্যে কথাটাও 'বাণী',  সামর্থ্য আর টাকাকড়ি হলে মূর্খও জ্ঞানী !

দ্বিপদী

প্রেম বড় অদ্ভুত বস্তু- হতে পারে সবাই তার অংশীদার,  বিভাজন কিন্তু কোনো ক্রমেও হয়না যে তার!

দ্বিপদী

ছিল কিছু উত্তম লোক- আছে আজো রইবে চিরকাল,   আবশ্যক নয় এদের নিয়ে ভাবনা কোনো কাল।    ভাবনা আবশ্যক ওদের তোরে- যারা বলে কিছু, করে অন্য;    দেখতে লাগে কেউকেটা চরিত্র তাদের হয় ভিন্ন।। 

LONE RIDER. (POEM)

*  LONE  RIDER. *                    -AF  EKBAL.      Lone rider-  Riding through the shore  Of the vibrant stream,  Sounding and resounding  Floating aside incessantly !  Two enemies benishing  The rider from behind  Towards the anonymous foes-  Antagonizing to resist  From the desired destiny !  The enemies-  One resides within the ford  Other dwells beneath the cord  And are   Copmlementary to each other !   Unwary rider-  If doesn't care  If doesn't identify   The foes in time-  Being mislead  Welcoming his threat  And moving towards  The destiny not destined !                             17-02-2021 .  

দ্বিপদী

তারও ছিল মগ্ন একদা লয়ে প্রেম ভালোবাসা প্রীত-  যারা আজ নিশ্চিহ্ন- হয়ে গেছে অতীত !

চারপদী

হৃদয়ের রহস্য কিছু লুকিয়ে রাখি সন্তর্পনে,  জানিনা তার সন্ধান কেন করে সর্বজনে ?   ভুল চাবি দিয়ে যে যায়না সকল তালা খোলা,  থাকতে দাও মোরে তাই আছি যেমন আত্মভোলা !!

দ্বিপদী

এই ভেবে ভাই হচ্ছো কেন পরিশান-  করছি কর্ম আমি হচ্ছে অন্য কারো নাম !  অনন্তকাল ধরে দেখো জ্বলছে তৈল অথবা ঘি-  তবেই তো দিচ্ছে দীপক আলো- নয় কি ?

Couplet

A nonscheduled wayfarer Ekbal  Have taken shelter at an auberge,  Still maintain such vanity  And pride- what's your courage !

দ্বিপদী

ক্ষণিকের অতিথি ইকবাল তুমি  পেয়েছো সরাইখানায় আশ্রয়,  কিসের দম্ভ অহমিকা করছো লালন  লয়ে এই যৎকিঞ্চিত বরাভয় !  

চারপদী

কেন ভাবছি শুধু কি পেলাম  হারালাম কত কি,  কে করলো মদদ আর    কে বা দিলো ফাঁকি !  শ্বাস রুদ্ধকর স্থিতিতেও  চলে যখন জীবনের শ্বাস,  কেউ যাচেনা খাবার তাদের  শুনায় না কোনো আশ্বাস !

MY FEELINGS .

* MY FEELINGS. *                           -AF  EKBAL.   I do always feel my feelings     As information,  Informations from my mind   And spirit of aspirations.  Try to feel and understand   The needs,the roots in rotation   In a rotating way.  Do I take my feelings   As observation,   Not measure them with    Philosophical reasonings   And thus never fall   In its gravity-    That can grave me in grievances.  I feel my joys and sorrows   And achievements-    All are optional   Until I use to use them   For the right cause.    I take my feelings to enact   In actions and reactions,    And find ultimate shelter    In eternal benediction.                  ...

মৌন বারতা । কবিতা

  * মৌন বারতা *                          -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥    সেদিন ছিলাম শ্রান্ত ভীষন     নিয়েছিলাম গাছের ছায়াতলে আশ্রয়,     সবুজ ঘাসের কোমল বিছানায়     আমেজ যুগিয়েছিল মৃদুমন্দ মলয়।     পাতার ফোঁকর দিয়ে রবির কিরণ     দিচ্ছিল বুলিয়ে মাথায় চুম্বন,     বাড়িয়ে বাহু ছায়াদার ডালপালা     জড়িয়ে করছিল কেমন আলিঙ্গন !     নিঃশব্দ নিশ্চুপ এমনি জানিনা     রয়েছিলাম পড়ে কতক্ষণ,     এরই মাঝে চুপিসারে কে যেন     কবিতায় ভরিয়ে দিল অঙ্গন !  অকস্মাৎ করি অনুভব  ঝরে পড়া দুটি পাতার পরশ,  কানে কানে বলে দিল তারা-  এমনি তোমার জীবন হতে তব পড়ছে খসে একটি করে দিবস!  ফিরলো চেতনা আচমকা  বাজলো কানে এ কোন অদ্ভুত এলার্ম !  ছেড়ে কবিতার পরিসর   অবসন্ন দেহে ফিরে চলি আপনার ধাম !          ...

ক্ববরের ডাক। (কবিতা)

 * ক্ববরের ডাক *                       -আ,ফ,ম, ইকবাল ॥                        নির্জন নিথর কবরস্থান   মুখর হয়ে উঠে মাঝে মাঝে-  খানিকের তরে  যখন হয় নতুন অভ্যাগত  নবীন অতিথির আগমন !  খাক খাক করে বছর ধরে  আমাদেরই সমাগত মঞ্জিল ।   পাশাপাশি চলে গেছে যে পথ  কতজন চলে যায়   কত দামি গাড়ি চড়ে  অথবা পায়ে পায়ে-   আপন কর্মস্থলে ।  কতজনের মনে পড়ে-   এই আমাদেরই এই ঘরদোর  এই আমাদের আবাসন  অনন্ত কালের নিকেতন !  বলি ভাই-  যারা চলে গেছে  আমাদেরই পূর্বসূরি  আমারই আপনজন  আত্মীয় আত্মজন । নেই কি তাদের তরে  আমাদের দায়ভার ?  নই কি আমি উত্তরসূরি  সেই মহল্লার ?  এসো ভাই-   যেখানে যেমন যে আছি  প্রত্যহ তাদের তরে  পাঠাই হাদিয়া নিজের মতো করে  অন্যূন সুরাহ ইয়াসিন পড়ে-  সকল ক্ববরবাসির তরে !  সানন্দে নেবে সবা...

দ্বিপদী

খুলে দাও দিলের দরাজ দরওয়াজা-  সম্বন্ধে লাগুক খোলা হাওয়া,  প্রেম যদি উড়ে চলে যায়- পারবে কি করতে পিছু ধাওয়া ?

দ্বিপদী

রাতের প্রতীক্ষায় রই- নিদ্রামগ্ন হয়ে করবো উপভোগ স্বপ্নসুখ,  দিবস মাঝে দৃষ্ট হয় এমন ব্যাকুল স্থিতি- রাতে বন্ধ হয়না চোখ !

দ্বিপদী

জীবনটা কঠিন বটে, পা ফেলতে হয় তাই হুঁশ করে,  কোথাও এগোতে হয় আন্দাজে- কিছু কথা নজরান্দাজ করে!

চারপদী

দেহের দাগ দোষের নয় কিছু মনের দাগ যেন কুষ্ট,  দূরে থেকো মনের দাগি থেকে হলেই তারে দৃষ্ট !  দেহের রং চেহারার গড়ন দেখে করোনা মিত্রতা কভু,  মানো না-মানো মোর কথা, বলে রাখলাম তবু !!

চারপদী

শুকনো পাতাগুলো ছড়িয়ে পড়ে এখানে সেখানে,  প্রসন্ন বোধ করে তারা জমা যখন করে কেউ তাদের একখানে।  ক্ষণিকের সে আনন্দ শীঘ্রই পরিণত হয় বেদনায়-  যখন দিয়াশলাইয়ের কাঠি সেই স্তুপে ব্যবহৃত হয়ে যায় !

চারপদী

লেখক, যে লেখে- লেখেনা কেবল শব্দ কিছু,  কত বেদনা কত আনন্দ করে শব্দের পিছু !  কবি যদি হয় সে লেখক- কলম দিয়ে তার  প্রকাশের ক্ষমতা রাখে হাসি-কান্না সবাকার ! 

একটি অনুধাবন।

একটি অনুধাবন।  মানব জীবনকে সফল এবং সুন্দর করতে সবাই সাধ্যানুসারে প্রয়াস এবং প্রচেষ্টা করে থাকে। ফল-ফুলের বাগানকে মনোরম এবং ফলবান করে তুলতে আমরা যেমন সময়মতো সার কীটনাশক ব্যবহার করি, আবশ্যকমতো পানি ঢেলে থাকি, তেমনি জীবনকে সাজাতে গিয়ে আজীবন তার রসদ যুগিয়ে যাই। একটি কাননকে ফুল্ল করে রাখতে তার যে রসদ যোগান ধরা হয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে কেবল যে ফল-ফুলের বৃক্ষ-লতাই বেড়ে উঠে, তা তো নয়, বরং তার সাথে সাথে অনেক আগাছাও জন্মায়। এবং সেই আগাছাগুলো সময়মতো উপড়ে না ফেললে একসময় মূল ফসল বা ফুলের গাছকে ছেয়ে ফেলে। ঠিক তেমনি জীবনকে কুসুমিত করতে গিয়ে যতসব আবশ্যক উপকরণ প্রয়োগ করা হয়, তার মাঝখানে যে আগাছারও বাড়বাড়ন্ত হবেনা, তার কি নিশ্চয়তা রয়েছে? -না। এখানেও অনেক অনেক আগাছা জন্ম নেয়, জন্ম নেবার সম্ভাবনা রয়েছে অনেক বিষধর বিষবৃক্ষ ও। তাই সচেতন মালীর কর্তব্য হচ্ছে জীবন কাননে কোথাও কোনো আগাছা ফুটছে কি না, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা। অন্যথায়- সম্ভাবনা রয়েছে সারাজীবন ধরে সাধনা করে সাজানো কানন আগাছার আড়ালে লুকিয়ে পড়ে থাকে! 

দ্বিপদী

মাথা উঁচু করে মাঝেমাঝে দেখছে চেয়ে পিলারহীন এই ভূলোক-  কেমন করে এমন উঁচু জায়গায় বসে আছে মেরুদন্ডহীন কিছু লোক ?

সমকালীন ভাবনা-২ ।

সমকালীন ভাবনা- ২ ।       সময় এবং পারিপার্শ্বিকতা এক অন্যতম শিক্ষক। পারিপার্শ্বিকতা থেকে শিক্ষা নেওয়া সচেতন মানুষের আবশ্যক। সাময়িক আবেগ বা হুজুগ এক অনন্য বিভ্রান্তিকর অবস্থা- যা মানুষকে বাস্তবতার বিপরীতে ঠেলে দেয়।  সাময়িক জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য মানুষ কখনও এমন কিছু কর্ম করে বসে, যা নীতি আদর্শ বিরুদ্ধ। কেউ তখন তাকে সাবধান করতে গেলে হুজুগ বা আবেগের বশবর্তী হয়ে তা উপেক্ষা তো করেই, উল্টো খারাপ পেয়ে বসে। কিন্তু কাজটি যেহেতু আদর্শ বিরোধী, তাই আপাত বাহবা কুড়িয়ে নিলেও তার পরিণাম একসময় বিষময় হয়ে উঠে। তখন আপাতদৃষ্টিতে হয়তো তার অন্য কারণ চোখে পড়ে। হ্যাঁ, ব্যক্তি যদি ধীশক্তি নিয়ে চিন্তা ফিকির করতে পারে, তখন হয়তো গোড়ার গলদ অনুধাবন করতে সক্ষম হবে। অন্যথায় সমসাময়িক বা সাম্প্রতিক উপলক্ষকেই বড়ো করে দেখতে যাবে। এরকম ঘটনা আমাদের আশেপাশে ঘটে থাকে বা ঘটে চলেছে, যার খবর অনেক সময় আমরা রাখি না।        হ্যাঁ, যারা নীতি আদর্শের ধার ধারেনা, মুখে মুখে নীতিকথা আওড়ায় না, তাদের আগাগোড়া সবকিছুই নঞর্থক প্রতিপাদ্যে প্রতিফলিত হবে,তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু ...

সমকালীন ভাবনা ।

সমকালীন ভাবনা।       ২০১৪তে তে কিছু লোক খুব খুশিতে হর্ষোল্লাস করছিলেন যে এবার দেশের মুসলমানদের সমূহ অমঙ্গল সুনিশ্চিত ! কিন্তু অমঙ্গলের ঝড় এমন বেগে প্রবাহিত হতে লাগলো যে, আজ দেশের কৃষিজীবীদের থেকে শুরু করে যুবসমাজ, ব্যবসায়ী সমাজ,মহিলা সমাজ- এমনকি সিনিয়র সিটিজেনরাও 'মঙ্গল' খুঁজে পাচ্ছেন না কোথাও। মুসলমানদের চক্করে কট্টর হিন্দু সমাজও আজ বরবাদ হয়ে যাচ্ছেন। রোজগার ব্যবস্থা বিপর্যস্ত, উন্নয়ন বিমর্ষ- এমনকি সম্ভাবনাময় উত্তর প্রজন্ম ক্রমশ দাঙ্গাবাজ হয়ে বেড়ে উঠছে।       মুরুব্বীরা বলতেন- অপরের অমঙ্গল কামনা করে যদি কারো কবর খুড়তে যাও, সেই সঙ্গে নিজের একটি কবর খুঁড়ে রেখো! বড়দের এই কথনের বাস্তবতা আজ আমরা অবলোকন করছি। তাই বলি হিংসা প্রতি-হিংসা নয়, আজ আবশ্যক প্রেম, মমতা, সহনশীলতা এবং পারস্পরিক মর্যাদা-র মতো গুণাবলী বিকাশের, উত্তরণের।        রাষ্ট্রবাদ যখন রক্তবাদে পরিণত হয়, কারো রক্তকে ছেড়ে কথা বলে না ! আমরা দেখতেই পাচ্ছি আজ শোষণ হচ্ছে যুবকদের, কৃষকদের,অর্থব্যবস্থার, ন্যায়পালিকা, কার্যপালিকা- সবকিছুরই!      ...

চারপদী

কেউ ফলায় ধান গম, কেউ বানায় অন্ন-রুটি,  মর্ম পরশে ভোজন করে কেউ তা করে কুটি !  আছে অন্যজন ছোঁয় না কখনো সষ্য লতা কাণ্ড;  কেবল কামনা তার ফসলের রসে ভরে শুধু ভাণ্ড !  এদের কেউ 'সন্ত্রাসী' হয় কেউ বড়ো পেয়ারের,  জনতার বুকে বিরাজে কেউ,কেউ নাচে কোলে সরকারের !

দ্বিপদী

মিষ্টদ্রব্যের কাঙাল ভাবতাম- কেবল মিষ্টি করে সবারে আকর্ষণ,  বেকুব হয়ে ভাবি লোনা সাগরের পানে মিঠা-নদীগুলো কেন দৌড়ায় করে প্রাণপণ ?

ঘটের কথা । (কবিতা)

*  ঘটের কথা । *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল ।                      দম্ভের কোলাহল চিরজীবি হয়না  ঝড়ের প্রতাপে কুপোকাত হয় কত মহীরুহ । আপাত নিরাশ্রয় পক্ষীকূল  গড়ে তুলে নবীন নীড়-  অন্য কোথাও, অন্য কোনোখানে । মহামারী বিযুক্ত করে দেয়  অনেকের জীবন জীবিকা  ভেঙে নেয়া চরের পাশে  ফের গড়ে উঠে নতুন বসতি  ফুল্ল হয় আবার পুড়ে যাওয়া কত কানন ।  বজ্র যখন নেমে আসে-  মানুষ ভুলে যায় বৃষ্টি ভেজার সুখ  ভুলে যায় আম কুড়োনোর আনন্দ  আশ্রয়ের খোঁজে মাথা গুঁজে  অপরিচিতের বারান্দায়-  ভুলে যায় সকল আত্মশ্লাঘা !                         ১০-০২-২০২১  

দ্বিপদী

কতক্ষন রইবে অটুট চেহারা লুকিয়ে রাখার খাব ?  জমানা নিশ্চিতভাবে খুলে দেয় একদা সকল নিকাব !

দ্বিপদী

অন্তর যখন অন্ধ হয়,  চোখ আর কোনো কাজের নয় !

দ্বিপদী

সৌন্দর্য স্থাপিত হৃদয়ে যার- চোখের মাঝে ভাস্বর রয়,   জগতের সবকিছুই তার চোখে সুন্দর মনে হয় ।

দ্বিপদী

প্রভু গো আমার- পূর্ণ করে দাও মনোবাসনা জগতের সবাকার,  রক্ষা করো আপদ বিপদ হতে- শরণ নিশ্চিত করো চরণে তোমার ।  

চারপদী

যে নদী পাহাড় ছেড়ে এগিয়ে চলে সমতলে- ফেরার বাসনা তার অবান্তর,  ফিরতে চাইলেও সম্ভব কি তা- শুকিয়ে যে কাঠ হয়ে যাবে অন্তর !  তাই সে এগিয়ে চলে নিম্নাভিমুখি- ভেসে চলাতেই তার স্বার্থকতা,  অফুরন্ত মিলন প্রত্যাশায় অহরহ ডাকছে তারে সাগরের বিশালতা ।

চারপদী

প্রত্যুষ প্রত্যক্ষ হয়না নসীবে তাদের- শুয়ে পড়ে যারা ছেড়ে প্রত্যাশার হস্ত !  মঞ্জিলে এগিয়ে তারাই চলে- চলতে গিয়ে হুমড়ি খায়,ফের উঠে,দেখে পথ প্রশস্ত !! 

চারপদি

ভেসে চলে মানুষ সময়ের তোড়ে,  পানি পানি যেমন কিস্তির চারদিক জুড়ে !  বদনাম করে সেই দরিয়ার- ঠাঁই নিয়েছে যথা তরী,  দেখেনা তরণীর ছিদ্র- যা দিয়ে নৌকায় পানি যাচ্ছে ভরি !!

চারপদী

বিকে যাচ্ছে ভূধর বিকোচ্ছে গগণতল,  বিক্রয় হচ্ছে ফুল-কলি বিকোচ্ছে যত ফল !  কলম সৈনিকেরা যদি শুয়ে রয় কেদারায় দিয়ে ঠেশ-  কে জানে কখন বিক্রয় হয়ে যাবে আপন স্বদেশ !! 

THE DREAMT SOCIETY . ( POEM)

*  DREAMT SOCIETY. *                                         -AF  EKBAL.                                         Feel pained to see in youths   Some changes so drastic,   Conduct is being reshaped  And deshaped as if plastic !   'Your behavior is your identity'  Has become an ancient theme,   Forgetting the up and down-  Running behind the mirage dream !   Where is the respect and obedience-   Where the sense of reputation ?  In every field youths today we find  Busy in temptation computation !   When shadow passes the source-  Indicates the falling of sun,   When modesty turned in boldness-  Arrogance brings standstill in turn !   Linings we find ...

LET'S LIVE A BALANCED LIFE . (POEM)

*  LET'S LIVE A MANAGED LIFE. *                                     -A F  EKBAL.  LET'S BE POSITIVE ALWAYS      AND LIVE A BALANCED LIFE,    WHY TO BE WORRIED OF ?    OUR DUTY IS JUST TO STRIVE.  LET'S BE GRATEFUL ENOUGH   TOWARDS THE CREATOR AND THE  CREATION,  THIS CAN BOOST OUR MIND  UPHOLDING THE MENTAL POSITION.   SHOULD CONTROL OUR TONGUE   AND STOMACH     AND THE LIMBS TOO,    SHOULD LEARN THE RIGHT WAY   BEFORE ANYTHING TO DO.  RUSHING BEHIND THE ROTTEN  VALOR    WHY TO CRUSH OUR VIGOR ?  HAVE SOME QUIET TIME IN RELAX-  CAN MAKE OUR THOUGHTS AND TASKS A PLEASURE.  LET'S RESTRAIN FROM CLUTTERED MIND   STANDING ALWAYS SELF-CONFIDENT,   LET'S SIMPLY ENJOY THE LIFE   TO MAKE THE HUMAN-BIRTH...

সাধনার সার ।

সাধনার সার ।                     -আ,ফ,ম, ইকবাল ॥                     গল্প বলি। আমেরিকার।  আমেরিকার কোলরেডো প্রদেশে যখন প্রথম সোনার খনি আবিস্কৃত হলো, পুরো আমেরিকা সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়লো- এক এক টুকরো জমি কেনার জন্য- কেননা সেখানকার জমি খুঁড়লেই সোনা পাওয়া যায়। সবাই কিনলো নিজ নিজ সামর্থ্য অনুসারে।       জনৈক ক্রোড়পতি মিস্টার জন তার সারা সম্পত্তি লাগিয়ে কিনে ফেললেন এক পুরো পাহাড়। সবাই নিজেদের ছোট ছোট প্লটে ছোট ছোট মেশিন লাগিয়ে খনন শুরু করে দিলো। কারো অনেক ফায়দা হচ্ছে, কারো তুলনামূলক কম।       বড় জোতদার জন তার পাহাড়ে বড় বড় মেশিন লাগিয়ে আরম্ভ করলেন বড়ো মাত্রায় খোদাই কর্ম । কিন্তু ! কিন্তু বৃথা সবকিছু ! দিনের পর দিন, মাসের পর মাস- কনক নিষ্ক্রমণের লক্ষ্যণমাত্র নেই !       হতাশ মহাজন জন ! সলাপরামর্শ করলেন পরিজনদের সাথে। কি করা যায় ? সব পুঁজি নিঃশেষিত প্রায়! নিষ্ফল ব্যয়ভার বেড়েই যাচ্ছে! অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলেন ...

দ্বিপদী

সে তার মেজাজে রয়েছে, থাক না তা ই- আমার নমনীয়তা আমার পরিচয়,  তার অবস্থান আসমানেই হোক-  আমার পদযুগল সদা যেন জমিনে সম্পৃক্ত রয় ! 

দ্বিপদী

আদর্শের উপর আঘাত যখন আসে- মোকাবেলা অবশ্যই করতে হয় তার,  জীবন্ত রয়েছে যারা- প্রমাণ দিতে হয় বাস্তবে  জিন্দা থাকার ।

দ্বিপদী

কে জানে কখন জীবন খেলবে কোন খেলা- ফিরিয়ে দেবে পাশ,  হাজার সাফল্যে করোনা অহঙ্কার- ছুঁয়ে ফেললেও আকাশ !

SO BLESSED I AM ! ( POEM)

 *  SO BLESSED I AM ! *                        -AF  EKBAL.                         When I wander around myself-  Feel the way so zigzag  Glazed wind trolls saa saa  And dust flies   Towards the anonymous destination !   When I see inside the body-  Find it so blessed  With all fluent equipments !  Rust-less sophisticated  And quasi promised-  As if the moving fleet !  No arithmetic works here,  No philosophy can prescript  The eternal entity  Embodied in a body  Of flesh and bone and blood !  Praises for the Almighty  The Artisan of the artisans,  The Mechanic of all mechanism-  Who Blessed me  With all the blessings  To whom 'am eager   To envisage soon !                04-02-2021 ...

দ্বিপদী

শহরে শহরে আজ হচ্ছে অদ্ভুত 'পরিবর্তন', ভীত সুস্পষ্ট দেশের রাজা;  চলবে যদি পথে- মাথা ঝুঁকিয়ে হাত পেতে চলো, এ ই প্রজার সাজা !

চারপদী

মানুষ কি আর বলে কথা, বলে তার সময় ! সময় যদি না কয়- অনেক বলেও শুধু সময়ের ক্ষয় !!  সময়ের কথা সময় শুধু নয় শুনে ভূলোক,  সময়ের বিচার সময় করে সাক্ষ্য রয় কিছু লোক ।