Posts

Showing posts from October, 2020

চারপদী

সেদিন খুব দূরে নয় যেদিন কেবল মানুষ থাকবে 'মানুষ' হয়ে, মিটে যাবে সকল বিষফোঁড়া ! পশুত্ব বিরাজ করবে জঙ্গলে, মানুষ লেগে থাকবে শুধু মানুষের মঙ্গলে !

চারপদী

বেদনা আঘাত জীবনে এতো আসে কোথা হতে- জানতে চাইনা সেসব কথা,  চঞ্চল হে জীবন, বলো এইটুকু শুধু- অবশেষ কত আর তব এই চপলতা ?

চারপদী

কাঁধের উপরে কারো রয়ে যায় অনেক বড় বোঝা,  বাইরে থেকে কিন্তু কেউ তা টের পায়না সোজা ।  নিঃসাড় পুরোনো বসনে যে বাপ বাচ্চাকে নিয়ে বেরোয় উৎসবে,  এক পলক করুণার দৃষ্টিতে তার পানে তাকায় সবে !  এরপর মত্ত সবাই নিজের উদ্দীপনা আর উপভোগে,  দু'টাকার বেলুন হাতে করে সুবাসিত চিত্তে দরিদ্রের কন্যা ঘরে ফিরে সুখে ! 

চারপদী

অহঙ্কার নয়, চাই কিছু আত্মসম্মানবোধ সতত রাখা জাগ্রত,  ঝুঁকে যদি গেছো খানিক অধিক- পীঠ নিত্য হবে পদানত !

চারপদী

লুকিয়ে রাখে ছোরা মুচকি হাসির আড়ালে কিছু আপনজন,  দূরের মানুষ কিছু দোয়া আশির্বাদে ধন্য করে দেয়  জীবন !  

চারপদী

সঙ্কট সমস্যা আসে জীবনে কত, শত তার রকমফের রয়েছে যে হায়,  সবার চাইতে কঠিন সঙ্কট এই যুগে- মুখের আড়ালের মুখগুলো চেনা বড় দায় !

সমসাময়িক ভাবনা

সকলের না ও হতে পারে, নিশ্চয়ই অনেকেরই অনুভব হয়তো এরকম- টেক নেই, বন্ধুবৃত্ত নেই, কিন্তু টিকে আছে কিছু ভাব, কিছু ভাবনা- যা দিল খুলে বলার মতো এক খোলামেলা প্লাটফর্ম হিসেবে ফেইসবুককে এক অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছি বা নিয়েছিলাম অনেকেই। কিন্তু এই ফেইসবুক কি আজ আর খোলামেলা হয়ে রইলো ? টে বলতে ঠোকর নিয়ে তেড়ে আসতে শুরু করেছে একদল রেশন্যাল হায়েনা ! যেন এটি তাদের মৌরশি পাট্টা, বলতে হলে বলতে হবে তাদের মতো করে ! অন্যথায় বিষদাঁত কেলিয়ে তেড়ে আসবে হুক্কাহুয়া রব তুলে ! অভাবনীয় ভাবে কিছু তথাকথিত এলিট সোসাইটির মানুষের মধ্যে আজকাল যে অদ্ভুত অশ্লীল পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা অনেক সময় হয়ে উঠে হতাশা তথা বীতশ্রদ্ধার কারণ ! জানিনা বিবেকবানদের বিচরণ কতদিন আর অব্যাহত রইবে এসব সামাজিক প্লাটফর্মে !  এটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি মাত্র !  অবশেষে ভাবছি, পণ্ডিতন্মন্যদের বন্ধুতালিকা থেকে বিদেয় করে, আপন বৃত্তের বাইরের হাল্লা চেঁচামেচিকে উপেক্ষা করে এগিয়ে যাবো নিজের ভাব ভাবনা এবং ভাবাবেগ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে আদলগ্রন্থের হাত ধরে। একে তো গৃহজেলার বাইরে অবস্থান, বাচ্চারা নিজেদের গ্রহে পরিক্রমায...

চারপদী

হচ্ছে যা যা আজ খোলাখুলি  হচ্ছিলো তা চুপিসারে যাইনি মোরা ভুলি !  শার্দূল সারমেয় শ্রুতিমধুর বটে,  তাতে কি ওসব জীবের চরিত্র পরিবর্তন ঘটে ?  পাঠশালা জীবনের যবে হয় চারদেয়ালে বন্দি,  প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেখায় ভালো ফিকির ফন্দি !  মানুষ হবার তরে চাই যেমন ইতিহাস হতে শিক্ষা,  চাই তেমনি মানবতার তরে ত্যাগ তিতিক্ষা !

চারপদী

প্রতিচ্ছায়ারে করছো ভয় এতো- ছায়ায় তোমার কি আর নাশে ?  ছায়া আছে মানেই আলোক কোথাও আছে আশেপাশে !

দ্বিপদী

Love is the creation-  Anthem of peace ever,  Let's raise the echo of love-  Hate and hatred never ! 

চারপদী

রাজনীতির অদ্ভুত পরিদৃশ্য  যত্রতত্র আক্রোশের ঘটছে বিস্ফোরণ,  আসল বিষয় পড়ে রয় পাশে  প্রতিহিংসা প্রতিনিয়ত হারায় নিয়ন্ত্রণ !  নিজের যুক্তিতে অটল সবাই  নেই বাকি কারো কাছে পরমত সহিষ্ণুতা   আজ নিয়ে ব্যস্ত সবাই  সমাগত কাল নিয়ে নেই কারো মাথাব্যাথা! 

আমি এক সবজান্তা

*  আমি এক সবজান্তা  !*                    -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ আমি এক সবজান্তা  কোন জ্ঞান নেই মোর ?  জনগনে যাই ভাবুক  আমিই সেরা পণ্ডিতপ্রবর !  জানি আমি সবকিছু  রীতিনীতি সংস্কার,  গগন-পবনে ধরাধামে  যত কিছু দরকার !  জানি আমি ভূগোল ইতিহাস  কোরান পুরান বেদ বাইবেল,  কুস্তি শরীরচর্চা তীরন্দাজী-  এসব যে মোর বা-হাতের খেল !  জানি আমি রাজনীতি কূটনীতি  সমাজনীতি দর্শনশাস্ত্র,  আইন কানুনের যত ফাঁকফোকর-  একেবারে জলবৎ তরলং মাত্র !  মাস্টারি করি বলে কেউ মোরে  ভাবে সাধারণ টিচার,  মাস্টার্স নই কোন বিষয়ে  আছে এমন ক্ষেত্র অথবা ফিচার ?  ফেইসবুকের কত আর ফেইস ভ্যালু  হোয়াটসঅ্যাপ কি আর ছড়ায় জ্ঞান ?  ব্রহ্মাণ্ডের যত খুঁটিনাটি জানি আমি  কেবল দিব্য চোখে করে ধ্যান !  তর্কবিজ্ঞান বিষয়টি মোর  ছিল অতি শখের পাঠ্য,  তাই আমি অবিরাম তুলে ধরি  যত্রতত্র যতসব যুক্তি অকাট্য !  দেশি বিদেশি যত কাব্য সাহিত্য ভাই  সবকিছু ম...

চারপদী

বাতাসের বেগ পাল্টে যায় কখনও ভীষন দ্রুতগতি  কে পারে সামলাতে তারে জমানা যখন পাল্টে যায় অতি! ডুবে যায় মাঠঘাট ডুবে কতো দর্পের মহল মিনার,  জনতার ক্ষোভ যবে ধরে রূপ বাঁধভাঙা বন্যার !!

চারপদী

আত্মম্ভরিতা টেকেনা খুব বেশিদিন,  উৎসব ফটক চিরকাল রয়না রঙিন !  মাটি ছেড়ে অকস্মাৎ চাইছো উড়তে আকাশে?  গিলবে সেই মাটি একগ্রাসে অবশেষে !

দ্বীপদী

বেয়াদপ যখন হয়ে উঠে মধ্যাহ্ন সবিতা-  দিগন্ত দেয় আলোকে ভরে কেবল কবিতা !

কথা ও কবিতা

কথা ও কবিতা :           জীবন কি ? তার সঠিক উত্তর জানা হয়নি। বেঠিক ভাবে যা জানি, তা হলো জীবন এক ক্ষুদ্র যাত্রার নাম। যে যাত্রার আছে কিছু লক্ষ্য, কিছু একটা অভিষ্ট। এই অভিষ্ট অর্জনের জন্য দেহটা একটি মাধ্যম শুধু । খুবই নশ্বর এক মাধ্যম। ক্ষণকাল পরই তার আর কোনো মূল্য রইবে বলে কোনোও নিশ্চয়তা নেই।         যাত্রী যদি যাত্রাপথ নিয়ে সচেতন রয়, তবেই গন্তব্যে পৌঁছা তার জন্য সহজ হয়। অন্যথায় সে এক বিভ্রান্ত, পথহারা পথিক। যে যাত্রার রিপিটেশন হয়না, সেই যাত্রা যদি নিরর্থক চারণ মাত্র রয়ে যায়, পরিণাম নিঃসন্দেহে আফসোস জনক !   ↓↓↓ জানি একদা ফুরিয়ে যাবে সম্বন্ধ এই দেহের সাথে,  ধুলো হয়ে যাবো জড়িয়ে মাতৃভূমির মাটির সাথে !  দেহটা মোর যাত্রাপথের কেবল এক নশ্বর যান,  সম্বন্ধ আসল রূহের সাথে- চরাচর বলে যারে প্রাণ !  কুসুমের সাথে খুশবু যেমন রয় নির্বাচিত কাল,  দেহ আর আত্মার নয় কি একই হাল ?  আত্মীয় আপনজন তোড়জোড় করে করে সমাহিত,  পারের কড়ি নিয়ে যদি যাও ইকবাল,হবে সেথা প্রীত!        ...

চারপদী

ঋণের অদ্ভুত পরিদৃশ্য দৃশ্যমান আমাদের দেশে বেশ,  দরিদ্র হলে পালায় দুনিয়া থেকে ধনী হলে ছেড়ে দেয় দেশ!

চারপদী

নেতা যখন করেন কান্না- মনে পড়ে হিটলার মুসোলিনি অথবা হবেন এই শ্রেণীর কেউ,  শুনিনি কখনো গান্ধী ম্যান্ডেলা চার্চিল অথবা ওয়াশিংটন লিঙ্কন কেঁদেছেন করে ভেউ ভেউ ! 

চারপদী

রাজনীতির বাতি জ্বলছে জ্বলবে চিরকাল ধরে,  এখানে ওখানে কখনো মসজিদ কখনও ....... !  ক্ষমতার হাঁড়ি চড়ে নামে জ্বালানির হয় হেরফের,  ভেক পাল্টে পুরোনো ঘাটে আসে সেই পুরনো খদ্দের !  লুটপাট করে পান্থ চলে যায় আপন গন্তব্য পথে,  লুট হওয়া জনগণ চাপড়ায় আপন পীঠ ব্যর্থ মনোরথে ! 

চারপদী

অদ্ভুত পরিদৃশ্য করে জ্বলজ্বল চারিপাশে মোর  ঈর্ষার দাবানলে পুড়ছে মানবতা বস্তি বস্তির পর !  তৃষ্ণার্ত যত নদ-নদী,ভুখাফাঁকা কাঁদছে পর্বত আনন  সাহারার বুকে ফুটছে কেমন সুদৃশ্য কুসুম কানন !  আশা-নিরাশার আইফেল টাওয়ার দূর হতে যত দৃষ্টিনন্দন,  কাছে তারে একেবারে টেনে নেওয়া যায়না কখনো !  

চারপদী

স্বতন্ত্র যতক্ষণ বয়ে চলে নদী ধরে রাখে তার আত্মপরিচয়,  যাবৎ সে মহাসমুদ্রের সাথে গিয়ে মিলিত না হয় ! 

চারপদী

ভাবছিলাম আজ আর বলবোনা কিছু,  গুটিগুটি একটি কথা ছাড়ছেনা পিছু !  ভাবছিলাম বয়সের ভারে বুড়ো হয়ে যায় না কেউ ,  ভাবের তটিনী হলে স্রোতস্বিনী সঙ্কট ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঢেউ !

চারপদী

পাঠশালা আর জীবনের পাটিগণিতে রয়েছে অদ্ভুত ফারাক,  সে যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ- যা ই ধরা যাক !  একের সাথে মেলালে এক আরও দুই হয় জানি খুব,  দাম্পত্যে দুটি প্রাণ মিলেমিশে এক স্বত্বার পূর্ণ রূপ!  কবেই সে শিখেছি দুই থেকে এক গেলে এক অবশেষ হয়,  বলো তবে জীবন থেকে অভীষ্ট হারিয়ে গেলে কি বাকি রয় ?  দুইয়ের থেকে দুই প্রাণ মিলেমিশে যদি একই সংসার,  দুই দুগুণে চার- এখানেও দেখো মিলছে না আবার !  জোড়া জোড়া সংসার হতে যবে একজন যায় সরে,  ভাগশেষ হয়ে শেষজন আর বাঁচে কি সংসারে ! 

এ কোন অদ্ভুত চারণভূমি

               * এ কোন অদ্ভুত চারণভূমি ! *                     -আ,ফ,ম,  ইকবাল ॥  কৃত্রিম অন্ধকারে ছেয়ে আছে গ্রহের সবুজ উদ্যান  হিংস্রতার আগুনে পুড়ছে মানবিক সত্ত্বা  দেশ-দেশান্তরে,  দাঁত নখ আঁচড় সক্রিয় শিকারী প্রাণীর মত    করুণ করোনা মহামারীকালেও   মৃত্তিকায় ভাসছে ছোপছোপ ধর্ষণের দাগ !   প্রকৃতি যখন অপূর্ব পূর্ণিমা রাতে ঢেলে দেয়   কলস কলস জ্যোৎস্না-   ঝিরিঝিরি হাওয়ায় ঝিঁঝিপোকা গান ধরে   প্রেমের তালে তালে,   সেই অপরূপ রাতের নৈসর্গিক শোভা ম্লান   করে দেয় যে সকল দৈত্য   ঘাসগুলো করে দলিত-মথিত-   তারাও বুঝি মানুষ ? গাঁজার পাইপে শেষ টান মেরে   জনহীন প্রান্তরে এরা কারা   হুমড়ি খেয়ে পড়ে ফুলের রেণুর উপর   ছুঁড়ে ফেলে কুসুমের দলামোচড়া ওড়নাখানি   ঝোপের নিস্পাপ ডালে   চাঁদের বুকে কলঙ্ক ঢেলে   ছুড়ে ফেলে দেয় ছিন...

চারপদী

অলিগলিতে যখন শুনা যায় জ্ঞানের অবিরাম ধ্বনি  মনে হয় ঘটাচ্ছে বিস্ফোরণ অবিরাম বিদ্যার খনি !  রাজা-প্রজা মিলেমিশে দেশ হবে আলোকিত একাকার,  রইবেনা অভাব অভিযোগ মতানৈক্য কোনোও আর !  কিন্তু সাধ্য কি রয়েছে সে প্রজার মুখ ফুটে জানায় অভিযোগ  উলঙ্গ হলেও রাজা প্রশংসায় সদা 'বাহবা' করতে হবে যোগ ! 

চারপদী

বাড়ছে কারো যানের শান প্রতিনিয়ত হররোজ  দরিদ্র হচ্ছে দরিদ্রতর হালকা হচ্ছে তাদের ভোজ,  ধার্মিকতায় যত যাচ্ছে ছেয়ে দিগদিগন্ত দেশ  ধর্ম ততোই চুপটি মেরে কেমন যেন হচ্ছে নিরুদ্দেশ !

চারপদী

জিজ্ঞেস করে দেখো বৃষ্টি বিন্দুরে- মেঘ থেকে ছিন্ন হয়ে হয়েছে তার কি হাল ?  ওহ শেকড় ছিন্ন মানব- দেখো আজ পড়ে হেলায় খালে নালায় হচ্ছে তার কি হাল ! 

দ্বিপদী

পেশী আর পয়সা মিলেমিশে যবে হয় একই প্রকরণ,  কোন বেওকুফ তখন আর খুঁজে বিশুদ্ধ ব্যাকরণ !
বছর ধরে কা-কা করে কাক কে দেয় তারে দাম,  এক বসন্তের মধুর সুরে সব ঋতুতেই কোকিলের নাম ! 
যত রবি ততো ছবি বীর্যবত্বা বিদ্রোহী  সুকান্তে বাজে,  মানুষ আমরা হইনি আজও আসেনা ওষুধ তাই কাজে !
স্রোতের অনুকূলে খড়কুটো নয় শুধু ভেসে যায় কত শিলা পাথর,   উজান বাইতে সে ই জানে- চৈতন্য যার আছে, জানে পায়ের উপর করতে ভর !

এখনও রয়েছে সুযোগ ভাই কোশিশ করো বিদূরিত করতে আঁধার, অন্যথায় তুমিতো নওই, উত্তর প্রজন্মও দেখবেনা আলোক আর !

এ কোন সমকাল

           * এ কোন সমকাল *                              -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥                             জীব হতে লালা ঝরে কিছু সারমেয়র   সারা বছর ধরে,   তেমনি কিছু লোলুপ মানুষের মুখ   লালা ঝরায় প্রতিনিয়ত   কখনো ঝাপটে ধরে ফুলের সৌরভ   আগুনের ফুলকি ছুটে তাদের রসনায় ! ভাদ্র-আশ্বিন কিছুই নেই তাদের ক্যালেন্ডারে   আছে শুধু শার্দুলের প্রত্যঙ্গ, ক্ষমতার পৌরুষ   উরুতে পিচাশের শক্তি, জল্লাদের দাম্ভিকতা   তন্ত্রে মন্ত্রে কর্মে এক একটি লোভযন্ত্রের সমাহার ! শুনেনা ওরা কোন মায়ের বুক ভাঙ্গা দীর্ঘনিঃশ্বাস  শুনেনা নিপীড়িতার গগনবিদারী চিৎকার   শুনে না কোন বোনের হৃদয় ফাটা   শেষ অস্ফূট কান্নার ধ্বনি  পুষ্পিত কাননে দলামোচড়ানো কামিজ-পায়জমা  ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলতে ওদের হাত কাঁপেনা ! প্রকৃত মানুষেরা ...
গল্প নয়, আজ ঘটনা বলি। জনৈক অভিজ্ঞ ব্যক্তির অভিজ্ঞতা প্রসুত ঘটনা।      বেশ কবছর আগের কথা। তখন আমাদের দুজন সন্তানই কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়- হাফলঙের ছাত্র। সেই সুবাদে আমি পেরেন্টস-টিচার্স এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি। সঙ্গতকারনে ঈদ উপলক্ষে বাচ্চাদের স্কুলের শিক্ষকদের- যারা ভিন্ন রাজ্য থেকে এসে আমাদের সন্তানদের পড়াচ্ছেন, তাদের দাওয়াত করা আবশ্যক মনে করেছিলাম। এসেছিলেন ও, প্রিন্সিপাল সহ প্রায় সকল স্টাফ। সঙ্গে স্থানীয় জেএনবির প্রিন্সিপাল ও।      গল্প হচ্ছিলো নানা প্রসঙ্গে। শিক্ষকদের নানা জায়গার নানা অভিজ্ঞতার কথা। কেভি প্রিন্সিপাল ডঃ এ,আর,জেনা। উড়িষ্যার মানুষ। তিনি শেয়ার করলেন তাঁর এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। তাঁর নতুন পোস্টিং হয়েছে কেভি পোর্টব্লেয়ারে। সুদূর আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে। প্রথমদিন গেছেন একটি প্রাইমারি ক্লাসে। পরিচয় পর্ব সেরে জানতে চাইলেন ক্লাসে হিন্দু বাচ্চা কে কে আছে- হাত তুলতে। একটি হাতও উঠলো না! আশ্চর্য, একটিও হিন্দু ছাত্র নেই পুরো ক্লাসে! -ক্রিশ্চান ? একটিও না! মুসলিম! নেই! বুদ্ধিষ্ট ? একটিও না ! অত্যাশ্চর্য !      কিন্তু তখনো তিনি জানতে...

মুক্তির স্বাদ

       * মুক্তির স্বাদ *                  -আ,ফ,ম,  ইকবাল॥ বাড়ছে ক্রমশ জীবনের ধারদেনা  বাধা পড়ে আছি   সম্পর্ক শূন্যতার নিগূঢ় দেয়ালের অন্তরালে   দেখা হয়না প্রতিদিনের সূর্য-ছাপ   গলে পড়ে যা প্রতিনিয়ত-  দিগন্তের দুই ধারে।  কেবল ভোরবেলায়-   নিভৃত পায়ের উপর দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকি নিত্যদিনের উদ্বোধন   দূরে, দৃশ্যের বাইরে জীবন জাগে   পাখিদের নীড়ে   ছন্দে ছন্দে মহানন্দে ভাসে নৈসর্গিক উল্লাস।  ফিরে আসি যখন চারণভূমিতে   অনুভব করি আমার অক্ষমতাগুলো   ক্রমশ বিকল হয়ে পড়ছে   মনে হয় প্রকৃতি আর আমি দুইই পরিশ্রান্ত   দায়ভার ফুলে-ফেঁপে হচ্ছে কলাগাছ   জানিনা ফেলবো কখন চিরন্তন মুক্তির শ্বাস !                               ০৬-১০-২০২০

TELLING TO MYSELF.

TELLING TO MYSELF :    Know Ekbal, you are the identical first of the first persons. Your thoughts, your Acts and Actions, your Realizations and Feelings begin and end with yourself ! Hence- you are responsible and answerable to you first.         Treat your conscience as second person. If your conscience recognize your acts and actions- proceed with it, daring the notes, may be positive or negative- of the ones standing or appearing before you !        Treat all others, save you and your conscience as third persons. Think them absent from your vision.          Be positive and stay positive with your mission. That's the only way to uphold yourself and lift your aspirations !          

অথ গাধার বচন।

অথ গাধার বচন !     অতি সম্প্রতি হ্যাশট্যাগ শহরে এক অদ্ভুত গাধার আবির্ভাব হইয়াছিল। আবির্ভূত হইয়াই সে মানুষের সহিত মানুষের মত কথা কহিতে আরম্ভ করিল!     -ওহে মনুষ্য সন্তানেরা, তোমরা যদি ইহলোকের সুখ এবং পরলোকের শান্তি কামনা করো, তাহা হইলে আমার মতো গাধা হইয়া যাও !     উপস্থিত মানুষজন আশ্চর্যান্বিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন-     -গাধা হইলে যদি সুখ ও শান্তি লাভ করা সম্ভব হয়, তাহা হইলে গাধা হইতে আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু আমরা যে মানুষ জ্ঞাতি, গাধা আবার হই কি করিয়া?     -খুবই সহজ, তোমরা টিভিতে নিউজ দেখা আরম্ভ করিয়া দাও, কিছুদিনের মধ্যেই এক একটি গাধায় পরিণত হইয়া যাইবে। এবং গাধা হইবার ইহজগতে সবচাইতে বড় ফায়দা হইল- তোমাদের দেশপ্রেম বাড়িয়া যাইবে। যাহার ফলে দেশভক্তের তকমা পাইয়া রাজমহলের পিয়ারা হইয়া উঠিবে। তখন তোমাদের চৌদ্দ খুন মাফ! এবং সার্বিক সুযোগ সুবিধা তথা উত্তম নিরাপত্তা নিশ্চিত হইয়া উঠিবে।     -ঠিক আছে গাধা ভাই, কিন্তু যে কোনো নিউজ চ্যানেল দেখিলেই বুঝি গাধা হইয়া উঠা সম্ভব?     -ন...
বলে দিও আজ নফরতের উষ্ণ সমীরণে এই খবর-  বালুচরে হলেও বানিয়েছি এক মজবুত প্রেমের ঘর!
লেগেছে ঘুনপোকা মানব কাননে অজস্র- চামড়া চোখের অলক্ষ্যে,  সারবেনা কীটনাশকে তা, যদিনা ফলাও প্রেমের কুসুম মানবের বক্ষে !
সত্যকে 'সত্য' বলতে লোক আজ বড্ড ভয় করে,  ভাবছি- বাঁচার জন্য মানুষ আজ কতবার মরে !
ভয়ে ভীত কিছু তোতা আজকাল বসে থাকে আদালতে,  বাজ করে নজরদারি-দেবে তোহফ, অথবা বসিয়ে দেবে পথে !  বলোনা একে ফ্যাসিবাদ কেউ, হয়ে যাবে ঘোর দেশদ্রোহ,  করতে নির্বিরোধ গতি- ছাড়তে হতে পারে জীবনের মোহ !