আত্মানুভূতি বা উপলব্ধি একটি ধনাত্মক বোধ বা বুদ্ধিবৃত্তি। এর হয় সাধারণত দুটি স্বরূপ- বহির্মুখী এবং অন্তর্মুখী । বহির্মুখী উপলব্ধিতে বহির্জাগতিক, অর্থাৎ নিজের ভৌতিক পরিমণ্ডলে যত চেতন-অবচেতন পরিদৃশ্য উদঘাটিত বা শনাক্ত হয়, তা দাগ কাটে আমাদের চেতনায়, আমাদের সংজ্ঞানে। তাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার প্রকাশ ঘটে আমাদের অভিব্যক্তিতে, আমাদের ভঙ্গিমায়। এই অভিব্যক্তির প্রেক্ষিতে আমরা অতি সহজেই বিচার বা বিশ্লেষণ করতে বসি অন্যের দোষগুণ, অপরের বৈশিষ্ট্যাবলি। আমাদের মানবিক চেতনা দুই প্রকারের অনুভূতির সমন্বয়ে বিগঠিত- জৈবিক এবং মানবিক। জৈবিক চেতনা জন্মগতভাবে প্রত্যেক জীবের মধ্যে এক সহজাত প্রবৃত্তি। কিন্তু মানবিক চৈতন্য গড়ে তুলতে হয় সাধনার মাধ্যমে, অর্জিত প্রজ্ঞা তথা সামগ্রিক লালনের মাধ্যমে। সুতরাং জৈবিক চেতনাকে নিয়ন্ত্রিত তথা বশীভূত রাখতে আবশ্যক হয় মানবিক চৈতন্যের উন্মেষ । এই মানবিক চৈতন্যের আবার দুটি ধাপ। প্রথম ধাপের খোরাক হচ্ছে পারিপার্শ্বিক জ্ঞানান্বেষণ, জাগতিক উপলব্ধির পরিশীলন এবং দৈনন্দিন জীবনে তার যথোচিত বাস্তবায়ন । প্রেম ভক্তি শ্...
Comments
Post a Comment